• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

আজ সেতু নিয়ে কিছু বলুন মুখ্যমন্ত্রী, আর্জি

Meeting
এখানেই হবে প্রশাসনিক সভা।—নিজস্ব চিত্র।

জেলা সফরে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার বীরসিংহের সভা শেষে জেলার প্রশাসনিক বৈঠক করবেন তিনি। সেখানে পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলার প্রশাসনিক আধিকারিক, ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ও পুরসভার জনপ্রতিনিধিদের থাকার কথা। সেই বৈঠক হবে ডেবরার অডিটোরিয়ামে। ডেবরাবাসীর আশা, আজ মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে তাঁদের এলাকার উন্নয়নের বার্তাও থাকবে। খড়্গপুর বিধানসভা উপনির্বাচন ছাড়াও দুই জেলার বেশ কয়েকটি পুরসভার ভোট হওয়ার শীঘ্রই। সেই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কিছু বলেন কি না নজর থাকবে সে দিকেও। 

কাঁসাই নদীর উত্তর দিকে চারটি পঞ্চায়েত রয়েছে। সেই এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে বাকি ডেবরার যোগাযোগ ভাল করার জন্য লোয়াদা ও টাবাগেড়িয়া সেতু তৈরির দাবি দীর্ঘদিনের। লোয়াদা সেতুর কাজ শেষ হলেও সেই সেতু সংযোগকারী রাস্তার কাজ ধীর গতিতে চলছে বলে অভিযোগ। আর টাবাগেড়িয়া সেতুর প্রকল্প বরাদ্দই হয়নি। গত লোকসভা ভোটের ফলে ডেবরা বিধানসভায় তৃণমূলের থেকে ৫ হাজার ভোটে এগিয়ে ছিল বিজেপি। সেই ভোটের প্রচারে গিয়ে তৃণমূল ও বিজেপি দু’দলই ওই সেতু তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তাই আজকের প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী টাবাগেড়িয়া সেতু নিয়ে কিছু বলতে পারেন বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। টাবাগেড়িয়া সেতুর দাবিতে গঠিত সংগঠন দ্বীপান্তর মুক্তি সংগ্রামী মঞ্চর সম্পাদক গৌতম মাজি বলেন, “টাবাগেড়িয়া সেতু আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। এ বার ডেবরাতেই প্রশাসনিক বৈঠক করছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি টাবাগেড়িয়া সেতু নিয়ে কিছু বলবেন বলেই আমাদের আশা।”

স্থানীয় বালিচকের ব্যবসায়ী চন্দন পালের আবার ক্ষোভ, “ডেবরা ব্লকের মধ্যে সবথেকে কম উন্নয়ন হয়েছে বালিচকে। এখানে হাইমাস্ট আলো নেই। সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এই বিষয়গুলি মুখ্যমন্ত্রীর নজরে আনবেন বলেই আমাদের আশা।’’ ডেবরার বিধায়ক সেলিমা খাতুন জানান, লোয়াদা সেতুর কাজ হচ্ছে। টাবাগেড়িয়া সেতুর কথা দিদিকে আগেই জানিয়েছিলাম। তিনি  বলেন, ‘সুযোগ পেলে সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে সিটি স্ক্যান ও কাঁসাইয়ের উত্তর দিকের চারটি পঞ্চায়েত এলাকার জন্য একটি পুলিশ ফাঁড়ির প্রস্তাব জানাব দিদিকে।’’ 

মঙ্গলবার দিনভর মুখ্যমন্ত্রীর সভার প্রস্তুতি চলেছে। অডিটোরিয়ামে নতুন রং হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী-সহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক আধিকারিকদের বসার জন্য স্থায়ী মঞ্চ সম্প্রসারিত করা হয়েছে। ওই অডিটোরিয়ামে প্রায় ৮০০ জনের বসার পরিকাঠামো থাকলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে ৫৩০ জনের বসতে পারবে।  খড়্গপুরের মহকুমাশাসক বৈভব চৌধুরী বলেন, “পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলার আধিকারিক, পঞ্চায়েত প্রতিনিধি ও পুরসভার আধিকারিকেরা বৈঠকে থাকবেন।”

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন