• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বিধি ভাঙলে দোকানিকে জরিমানা, ক্ষোভ পুর-সিদ্ধান্তে

Distancing
প্রতীকী ছবি।

লকডাউন কিছুটা শিথিল হতেই খুলেছে দোকান। উপচে পড়ছে ভিড়। ঘুচে গিয়েছে সামাজিক দূরত্ব। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামছে রেলশহরের পুরসভা। দোকানে সামাজিক দূরত্ব মানা না হলে দোকানির বিরুদ্ধেই পদক্ষেপ এ বার করবেন পুর-কর্তৃপক্ষ!

শুক্রবার খড়্গপুর পুরসভায় করোনা সংক্রান্ত বিশেষ বোর্ড মিটিংয়ে মহকুমাশাসক ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে প্রয়োজনে দোকানিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ঠিক হয়েছে, শহরের দোকানগুলিকে যেহেতু ট্রেড লাইসেন্স দেয় পুরসভা, তাই তারাই খতিয়ে দেখবে করোনা বিধি মানা হচ্ছে কি না। কোনও দোকানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে না নজরে এলে ওই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হবে। এমনকি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এই বিধি কার্যকর করতে নজরদারি চালাবেন পুরসভার লাইসেন্স বিভাগের কর্মীরা। বৈঠকে আরও ঠিক হয়েছে, মাস্ক ছাড়া রাস্তায় বেরোলে ১০০টাকা জরিমানা করা হবে। পুরপ্রধান প্রদীপ সরকার বলেন, “যাঁরা মাস্ক ছাড়া বেরোবেন তাঁদের একশো টাকা জরিমানার বিষয়টি পুলিশ দেখবে। তবে দোকানগুলিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় না থাকলে আমরা লাইসেন্স বিভাগের মাধ্যমে কড়া ব্যবস্থা নেব। দোকানিদের পাঁচশো টাকা জরিমানা করা হবে।”

ব্যবসায়ীদের অবশ্য দাবি, সামাজিক দূরত্ব বজায়ে ক্রেতাদের আবেদন করতে পারেন দোকানিরা। কিন্তু অসচেতন ক্রেতাদের নিয়ন্ত্রণ  করা কঠিন। বিশেষ করে যে সব দোকানে কোনও কর্মী নেই, সেখানে একজনের পক্ষে দোকান সামলে ভিড় নিয়ন্ত্রণ কী করে সম্ভব! মালঞ্চ ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক হৃষিকেশ গোপ বলেন, “করোনা সতর্কতাকে মান্যতা দিয়ে দোকানে মাস্ক ছাড়া সামগ্রী দেব না বলে লিখেছি। ক্রেতা এর পরেও না মানলে প্রশাসনের সেটা দেখা উচিত। ক্রেতাদের অসচেতনতার জন্য যদি পুরসভা দোকানিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয় তা মানা কঠিন।” ইন্দা বাজারের মুদি দোকানি রমেশ গুপ্তও বলেন, “বেশি কড়া হলে আমার দোকানে তো ক্রেতা আসবেই না। ক্রেতারা অসচেতন হলে আমরা কেন তার শাস্তি ভোগ করব?” অবশ্য খড়্গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী সামসুদ্দিন আহমেদের বক্তব্য, ‘‘যদি কোনও দোকানে ক্রেতারা দোকানির কথা না শোনে তাহলে আমাদের জানাতে হবে। আমরা পরিস্থিতি দেখেই পদক্ষেপ করব।”

এ দিন পুরসভার সব কাউন্সিলরকে ৫ বছর কাজের জন্য ফুল দিয়ে সংবর্ধনাও জানানো হয়। আগামী ৩জুন মেয়াদ শেষ হচ্ছে পুরবোর্ডের। মহকুমাশাসক বৈভব চৌধুরী বলেন, “পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষে যিনি প্রশাসক হিসাবে থাকবেন তাঁর মাধ্যমেই সমস্ত কাজ চলবে।’’

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন