নির্বাচনী প্রচারে উন্নয়ন প্রশ্নে বিরোধীদের বিঁধলেন কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারী। রবিবার সন্ধ্যায় জেলা তৃণমূলের শিক্ষা সেলের উদ্যোগে কাঁথির বীরেন্দ্র স্মৃতি সৌধে তৃণমূল প্রার্থীদের সমর্থনে এক প্রচারসভার আয়োজন করা হয়।

সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিশিরবাবু বলেন, ‘‘কাঁথির পুরপ্রধান থাকাকালীন শহরের বাসিন্দাদের সহযোগিতায় তিলতিল করে এলাকার উন্নয়নের উন্নয়নের চেষ্টা করেছি। ১৯৬৫ সালে কয়েকটি কাঠের চেয়ার টেবিল আর সামান্য কয়েকজন কর্মী ও টাকা নিয়ে যে কাঁথি পুরসভার যাত্রা শুরু, আজ সেই পুরসভার নিজস্ব সম্পদ কয়েক হাজার কোটি টাকা।’’ তিনি বলেন, ‘‘নিজস্ব অর্থেই সুপার মার্কেট, সেন্ট্রাল বাসস্ট্যান্ড ও পুরভবন তৈরি করতে পেরেছে কাঁথি পুরসভা। শান্তি ও উন্নয়নের নিরিখে সারা রাজ্যে স্বীকৃতি আদায় করতে পেরেছে কাঁথি পুরসভা।’’

 বিরোধীদের সমালোচনা করে শিশিরবাবু বলেন, ‘‘অস্তিত্বহীন বামফ্রন্ট আর কংগ্রেস কাঁথিতে পুরভোটে দু’চার জনকে প্রার্থী করেছে। অথচ তাঁরা নিজেরাই জানেন না কেন তাঁরা প্রার্থী হয়েছেন। দু’টি আসনে ইতিমধ্যেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূল প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। বাকি ১৯টি আসনেও দলের প্রার্থীরা জয় পাবে।’’

 সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাধিপতি মধুরিমা মণ্ডল, বিধায়ক অর্ধেন্দু মাইতি, রনজিৎ মণ্ডল, বনশ্রী মাইতি, জেলা শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ মামুদ হোসেন, জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের সভাপতি মানস দাস-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। অন্য দিকে, শনিবার সন্ধ্যায় কাঁথিতে সিপিএমের জোনাল অফিসে বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে পুরসভা ভোটের নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করা হয়। ইস্তাহারে শহরে পরিশ্রুত পানীয় জল সরবরাহ, বস্তি উন্নয়নের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।