• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

নাক গলাবেন না, নির্দেশ শুভেন্দুর

Suvendu Adhikari's instruction not to interfere
বিজেপির কর্মী বৈঠকে শিবপ্রকাশ। নিজস্ব ছবি

Advertisement

মর্যাদার লড়াইয়ে জিততেই হবে। তাই নিচুতলার কর্মীদের দায়িত্ব-কর্তব্য বুঝিয়ে দিলেন যুযুধান শিবিরের নেতারা। 

তৃণমূলের জেলা পর্যবেক্ষক শুভেন্দু অধিকারী যেমন, কর্মীদের বার্তা দিয়েছেন শুধুমাত্র নিজেদের ওয়ার্ডেই মনোযোগ দিতে হবে। পাশাপাশি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা শিবপ্রকাশের পরামর্শ, বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করতে হবে বুথ প্রমুখদের।  

রবিবার সন্ধ্যায় খড়্গপুরে এসেছিলেন শুভেন্দু। দু’টি সভা শেষে ২০নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কার্যালয়ে শহরে দলের ওয়ার্ড পর্যবেক্ষক ও কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠকে বসেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি। খড়্গপুর সদর উপ-নির্বাচন পরিচালনায় পর্যবেক্ষকদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয় ওই বৈঠকে। সোমবার দুপুরে দলের বুথ প্রমুখদের নিয়ে কর্মী বৈঠক করে বিজেপি। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা শিব প্রকাশ, বিজেপির জেলা কার্যকরী সভাপতি শমিত দাস প্রমুখ। সেখানেও নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে বুথ প্রমুখদের কী ভূমিকা হবে তার রূপরেখা তৈরি করা হয় এ দিন। 

তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্বাচনের আগে থেকেই খড়্গপুর শহরে ওয়ার্ডে কর্মীদের মধ্যে সমন্বয় আনতে পড়শি ব্লক থেকে ৫০জন পর্যবেক্ষক নিযুক্ত করেছিল শাসক দল। ওই পর্যবেক্ষকেরা বিভিন্ন ওয়ার্ডে কাজ করছেন। তবে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতা-কর্মী ও কাউন্সিলরেরা অন্য ওয়ার্ডের নির্বাচনী কাজে পৌঁছে যাচ্ছেন। শুভেন্দুর উপস্থিতিতে হওয়া ওই দিনের বৈঠকে জানানো হয়েছে, ওয়ার্ডের পর্যবেক্ষক, কাউন্সিলর, নেতারা যেন নিজেদের ওয়ার্ডের দায়িত্ব যথাযত পালন করেন। এমনকি, ওয়ার্ডের বাইরে তাঁরা যেন নজর না দেন সেই বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে। অজিত বলেন, “পর্যবেক্ষক থেকে কাউন্সিলর, নেতা সকলে যেন নিজের ওয়ার্ডের দায়িত্ব পালন করে সেটা বৈঠকে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে আগামী ১৫ ও ১৭ নভেম্বর শুভেন্দু অধিকারী ফের নির্বাচনী প্রচারে আসবেন। সেদিন বিভিন্ন ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করা হবে।” এ ক্ষেত্রে ১৫ নভেম্বর শহরে বিভিন্ন ওয়ার্ডে পদযাত্রা ও ১৭ নভেম্বর সভার কথা শুভেন্দু জানিয়েছেন বলে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে। 

একইভাবে এদিন নিজেদের প্রচার কৌশল নিয়ে সার্বিক রূপরেখা তৈরি করতে বিজেপিও রামমন্দিরে বৈঠক করে। ওই বৈঠকে উপস্থিত দলের বুথ প্রমুখদের নির্বাচনের প্রচার সংক্রান্ত বিষয়ে নানা কৌশল জানা হয়। বিজেপি সূত্রে খবর, মূলত কয়েকটি বুথ নিয়ে গঠিত বুথ প্রমুখদের এলাকায় দেওয়াল লিখন, বাড়ি-বাড়ি প্রচারে জোর দিতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে শহরের প্রতিটি মণ্ডলে ৩০টি করে সারা শহরে ৯০টি পথসভা করার পরিকল্পনা করেছে বিজেপি। সেই সভা সফল করতে বুথ প্রমুখদের বিশেষ দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিজেপির জেলা সভাপতি শমিত দাস বলেন, “নির্বাচনের সময়ের বুথ প্রমুখদের কাজ বুঝিয়ে দিতে বৈঠক হয়েছে।  নির্বাচন পরিচালনার কাজে নানা ধরনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেগুলি আগামীদিনে শহরবাসী দেখতে পাবেন।”     

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন
বাছাই খবর

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন