• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

স্টেশনে উড়ছে ছেঁড়া জাতীয় পতাকা, জানেই না রেল

national flag
সেই জাতীয় পতাকা (চিহ্নিত)। নিজস্ব চিত্র

Advertisement

আসছে স্বাধীনতা দিবস। আর তার আগে ‘এ-ওয়ান’ স্টেশন চত্বরে ‘অবমাননা’র শিকার জাতীয় পতাকা।

রেল বোর্ডের নির্দেশে ‘আমাদের গর্ব, আমাদের তেরঙ্গা’ স্লোগানে একশো ফুট উঁচু জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিল খড়্গপুর রেল ডিভিশন। ক্রমে রেলের নজরদারির অভাবে জীর্ণ হয়েছে সেই পতাকা। গত কয়েকদিন ধরে তো ছেঁড়া জাতীয় পতাকা উড়ছে। 

একশো ফুট উঁচু স্তম্ভে লাগানো জাতীয় পতাকার গেরুয়া কাপড়ের একাংশ ছিঁড়ে ঝুলছে। অথচ রেল কর্তৃপক্ষের দাবি, বিষয়টি তাঁদের জানা নেই। 

রেল সূত্রে খবর, গত জানুয়ারিতে রেল বোর্ড দেশের সব ‘এ-ওয়ান’ স্টেশনে সুউচ্চ জাতীয় পতাকা লাগানোর নির্দেশ দিয়েছিল। সেই মতো দক্ষিণ-পূর্ব রেলে প্রথম খড়্গপুর রেল স্টেশন চত্বরে এই পতাকা লাগানোর কাজ শুরু হয়। প্রজাতন্ত্র দিবসের আগেই গত ১৫ জানুয়ারি ওই একশো ফুট উঁচু পতাকা টাঙানো হয়েছিল খড়্গপুর স্টেশনে। তখনই প্রশ্ন ওঠে রাতেও কেন ওই পতাকা উড়ছে। রেলের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি। নিমপুরার বাসিন্দা অর্ণব ভকত বলেন, “এই পতাকা রাতেও ওড়ে। এখন দেখছি ছেঁড়া পতাকা উড়ছে। বিভিন্ন বইতে পড়েছি জাতীয় পতাকা সন্ধ্যার পরে নামিয়ে দিতে হয়। আর ছেঁড়া পতাকা তো  উড়তে পারে না। এই নিয়ম রেলের কর্তারা কি জানেন না!” 

 সরব হয়েছেন শহরের সাংস্কৃতিক কর্মীরাও। ‘শঙ্খমালা খড়্গপুরে’র সম্পাদক তথা বাচিক শিল্পী কৃশানু আচার্য বলেন, “এটা আমাদের শহরের লজ্জা। আসলে হাততালি পাওয়ার জন্য নির্দেশ পালনে এ সব প্রকল্পের উদ্বোধন হয়। পরে রক্ষণাবেক্ষণে কারও হুঁশ থাকে না। এটা তার প্রমাণ।” 

খড়্গপুর রেল ডিভিশনের জনসংযোগ আধিকারিক তথা সিনিয়ার ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজার আদিত্য চৌধুরী বলেন, “রাতে পতাকা উড়ছে বা ছেঁড়া পতাকা উড়ছে বলে আমি জানি না। খোঁজ নিচ্ছি। ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সঙ্গে কথা বলে পদক্ষেপ করব।”

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন
বাছাই খবর

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন