• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

অচেনা ডাক, নখের দাগ

Announcement
নিজস্ব চিত্র

কেউ বলছেন বাঘরোল, কেউ মেছো বেড়াল, কেউ আবার সটান বাঘ বলে বসছেন, আবার কেউ রহস্য করে বলছেন ‘অজানা জন্তু!’

শান্তিপুর থানার বেলগড়িয়া ১ পঞ্চায়েতের চটকাতলা গ্রাম ও তার আশপাশে আপাতত সবচেয়ে আলোচ্য বিষয় এটাই।

প্রায় এক সপ্তাহ ধরে এমন আলোচনা চললেও সেই প্রাণীর দেখা এখনও পর্যন্ত কেউ পাননি, তা বলে গুঞ্জন থামেনি, বরং বেড়েছে। বন দফতরের অফিসারদের কাছে বহু বার বহু জন বহু রকম খবর দিচ্ছেন। কেউ সেই প্রাণীর আওয়াজ শুনেছেন বলে দাবি করেছেন, কেউ আবার পায়ের ছাপ দেখেছেন বলে জানিয়েছেন। বার কয়েক এলাকায় ঘুরে গিয়েছেন বনকর্মীরাও। সোমবারও গিয়েছিলে‌ন। কিন্তু রহস্য উদঘাটিত হয়নি। সোমবার ফুলিয়াপাড়া এলাকায় একটি বাড়ির উঠোনে কোনও এক জন্তুর পায়ের অস্পষ্ট ছাপ দেখা গিয়েছে বলে দাবি করেন বাসিন্দারা। 

গ্রামের লোকের কথায়, কখনও গভীর রাতে আবার কখনও সন্ধ্যায় সেই প্রাণীর আওয়াজ বা ডাক শোনা যাচ্ছে। তার ধরন তাঁদের অজানা। খানিক গর্জন আবার খানিক আর্তনাদের মতো। গ্রামের প্রান্তে সর্ষে খেতের দিক থেকে সেই আওয়াজ আসছে বলে অনেকে জানিয়েছেন। কেউ-কেউ আবার দাবি করছেন, তাঁরা আবছা অন্ধকারে সেই জন্তুকে দেখেছেন। কারও কথায়, তাকে শেয়ালের মত দেখতে। কেউ আবার জানাচ্ছেন, সেটি কুকুরের থেকে ছোট। তার ডাক রেকর্ড করেছেন কয়েক জন উৎসাহী ব্যক্তি। কিন্তু ছবি মেলেনি। 

বন দফতরের কর্মীরা সোমবারও এলাকায় যান। কথা বলেন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে। বাসিন্দাদের কাছে আবেদন জানান, যে প্রাণীই হোক না কেন তাকে দেখতে পেলে যেন কোনও ভাবে আঘাত না করা হয়। নদিয়া মুর্শিদাবাদের বিভাগীয় বনাধিকারিক রানা দত্ত বলেন, “এখনও পর্যন্ত কোনও প্রাণীর সন্ধান মেলেনি। কর্মীরা খোঁজ চালাচ্ছেন।”             

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন