ক্যান্সারে আক্রান্ত অথচ বাড়িতে নুন আনতে পান্তা ফুরনোর দশা। কেউ আবার ধার-দেনা করে টাকা জোগাড় করতে পারলেও বারবার কলকাতায় গিয়ে চিকিৎসা করানোর ধকল সইবার মতো অবস্থায় নেই।

সেই সব রোগীদের কথা ভেবে একটি ক্যানসার ইউনিট চালু করেছে শক্তিনগর জেলা হাসপাতাল।

মাস দুয়েক আগে দুই চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তিন বেডের ইউনিট চালু হয়েছে হাসপাতালে। পাশাপাশি দু’টি ঘরে মহিলাদের জন্য একটি ও পুরুষদের জন্য দু’টি বেড। ভবিষ্যতে আরও তিনটি বেড বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

সুপার শচীন্দ্রনাথ সরকার জানান, অপারেশন, কেমো, ওষুধ— সবেরই খরচ বহন করবে হাসপাতাল। এখনও পর্যন্ত পাঁচজন রোগীর চিকিৎসা হয়েছে বলে হাসপাতালের দাবি।

কী ভাবে সেই খরচ বহন করছে হাসপাতাল? সুপার জানান, রাজ্য সরকার হাসপাতালকে ‘স্টেট ইলনেস অ্যাসিস্ট্যান্ট ফান্ড’ দিচ্ছে। সেই ফান্ড থেকে যাবতীয় খরচ বহন করা হচ্ছে। এই ফান্ডে একজন রোগীর জন্য দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ পারবে হাসপাতাল। আর সেটা হাসপাতালের নিজস্ব পরিকাঠামোর বাইরে। অর্থাৎ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাইরে থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত ওষুধ বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে পারবেন।

তবে সেই পরিষেবার সুবিধে পেতে গেলে মাসিক আয় দশ হাজার টাকার নীচে হতে হবে। কেমোথেরাপি নিতে গেলে প্রথমবার রোগীকে কলকাতার নীলরতন সরকার মেডিক্যাল বা চিত্তরঞ্জন মেডিক্যাল থেকে ‘ড্রাগ রেজিম’ করিয়ে নিয়ে আসতে বলা হতে পারে।