• দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

শিকল ভাঙার গান

এই লকডাউন সময়ে আট থেকে আশি সকলের সঙ্গী হয়েছে স্মার্টফোন। সকাল থেকে রাত মোবাইল বিনে গীত নেই। সংবাদ থেকে বিনোদন, লেখাপড়া থেকে কেনাকাটা— সবেতেই এখন ভীষণ ভাবে মোবাইল নির্ভর হয়ে পড়েছে গৃহবন্দি পৃথিবী। তাতেই বাড়ছে বিপদের আশঙ্কা। লিখলেন দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়

Puja
প্রতীকী চিত্র

শনৈঃ শনৈঃ বাড়ছে সংক্রমণ। অপ্রতিহত করোনা। দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে বিশ্বে পয়লা নম্বর হতে চলা এই দেশে করোনা রুখতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে বিশেষজ্ঞরা প্রথম থেকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন ভিড় এড়ানোয়। তাই সরকারি নির্দেশ মোতাবেক এখনও বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সিনেমা হল, জমায়েত। অফিস আদালত এখনও কাজ চালানোর মতো খোলা হচ্ছে। দেশের সব চেয়ে বড় গণপরিবহণ লোকাল ট্রেন বন্ধ।  নিয়ন্ত্রিত ভাবে চলছে উড়ান। খেলার মাঠ সুনসান। সামাজিক অনুষ্ঠানে জমায়েতে এখনও মাত্র পঞ্চাশ জনের অনুমতি। রথযাত্রা থেকে গণেশ চতুর্থী নিয়ন্ত্রিত হয়েছে। সামনে পুজো। সম্ভবত তা-ও কঠোর নিয়ন্ত্রণেই অনুষ্ঠিত হবে। এক কথায় যেখানেই জনসমাগমের সম্ভাবনা সেখানেই নিষেধাজ্ঞা জারি। চিকিৎসক বা বিজ্ঞানীদের মতে, কোভিড ১৯-এর বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকরী প্রতিষেধক হল এই জনগণ বিছিন্নতা। যাতে সংক্রমণের শৃঙ্খলটা ভেঙে দেওয়া যায়। অতি দ্রুত সংক্রমিত করা করোনাভাইরাসের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক। অতএব, পড়ুয়া সন্তান থেকে কর্মরত বাবা-মা, ট্রেনের নিত্যযাত্রী থেকে হকার, পার্কের তরুণ তরুণী থেকে বাদামওয়ালা সকলেই ঘরে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। এখান থেকেই শুরু হচ্ছে নানাবিধ সমস্যার। আজন্মলালিত অভ্যাস মাত্র কয়েক মাসে বদলাতে গিয়ে আট থেকে আশি বেতালা, বেপথু হয়ে পড়ছেন।

আমাদের ছুটি ছুটি

‘হীরকরাজার দেশে’ সিনেমার সেই দৃশ্য। উদয়ন পণ্ডিতের পাঠশালায় এসেছেন শিক্ষামন্ত্রী, সপারিষদ। চরিত্রভিনেতা বিমল দেবের অননুকরণীয় ভঙ্গিতে বলা অবিস্মরণীয় সেই সংলাপ ‘আজ থেকে ছুটি, আর পাঠশালা নাই।’ ছায়াছবির সেই সংলাপ এখন ঘোর বাস্তব। গোটা দেশ জুড়ে নিরুচ্চারে সেই সংলাপ উচ্চারিত হয়ে চলেছে সেই ২৩ মার্চ থেকে। সত্যিই আর স্কুল নাই। কলেজ নাই। পরীক্ষা নাই। আমাদের ছুটি... ছুটি। সুতরাং, স্কুলে যাওয়ার তাড়াও নেই। সাঁতার, ছবি আঁকা বা গানের ক্লাসের ঝাঁপও বন্ধ। ফের কবে সে সব শুরু হবে, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। ফলে এই বাড়িতে থাকার লম্বা সময়ে কী ভাবে পড়াশোনা এগোবে? পরীক্ষা কি আদৌ হবে? হলে কী ভাবে? না কি একটা গোটা শিক্ষাবর্ষ জীবন থেকে বাদ পড়ে যাবে? এমন হাজারো প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বেড়াচ্ছে পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবকেরা। স্কুল-কলেজ যাওয়া বন্ধ হওয়ার কারণে বিকল্প ব্যবস্থা চালু হয়েছে। অনলাইনে পড়াশোনা। এই নতুন ব্যবস্থা সকলের জন্য নয়। কিন্তু যারা এই ব্যবস্থার আওতায় পড়ছে তাদের যে ভাবে পড়াশোনা চলছে তা সত্যিই কতটা কার্যকরী এ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গৃহশিক্ষকের কাছে অনলাইন পড়াশোনা বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে মান্যতা পেয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশের অধিকাংশ স্কুলেই এই ব্যবস্থা নেই। বিশেষ করে বাংলা মাধ্যম সরকারি স্কুলে। ফলে সবটাই ব্যক্তিগত উদ্যোগ নির্ভর। সকাল থেকে রাত স্মার্টফোনের সঙ্গে কাটাতে বাধ্য হওয়া প্রাথমিক, মাধ্যমিক বা উচ্চ-মাধ্যমিক পড়ুয়ার উপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। নতুন পড়া বোঝা-লেখা, অংক কষা, হোমটাস্ক করা এবং সেটা কারেকশন। এই যাবতীয় পর্ব মোবাইলেই সম্পন্ন হচ্ছে। একদিন যে মোবাইলের জন্য জন্য বাবা-মায়ের কঠোর শাসনে দিন কাটত, সেই বাবা কিংবা মা এখন সাতসকালে ঘুম থেকে মোবাইল হাতে অনলাইন ক্লাসে বসিয়ে দিচ্ছেন! সব ওলটপালট। ইতিপূর্বে হাতেগোনা কিছু বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়া লেখাপড়ার ব্যাপারে অনলাইনের ব্যবহার খুব বেশি ছিল না। এই করোনা পর্বে অনলাইন পড়ানো শুরু হয়েছে হঠাৎ করে এবং অপরিকল্পিত ভাবে। আচমকা কোনও কাজ শুরু করলে যেমন হয় তেমন ভাবেই চলছে এই অনলাইন পড়াশোনা।আর এখানেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন সারাদিন ধরে কখনও পড়ার অছিলায়, কখনও টাস্ক বুঝে নেওয়ার অজুহাত দেখিয়ে, কখনও বা বন্ধুদের সঙ্গে গ্রুপ স্টাডির ছুতোয় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভীষণ রকম ভাবে মোবাইল ফোনমুখী হয়ে পড়ছে বাড়ির ছোট জন।

আজি বিজন ঘরে

করোনাভাইরাস রুখতে লকডাউনে গৃহবন্দি গোটা বিশ্ব। বন্দিত্বের প্রধান সঙ্গী কেবল স্মার্টফোন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বহির্বিশ্বের সদর দরজা বন্ধ হয়েছে বটে। তবে খুলে গিয়েছে মোবাইলের আগলহীন জানলা। এই লকডাউন সময়ে আট থেকে আশি সকলের সঙ্গী হয়েছে স্মার্টফোন। সকাল থেকে রাত মোবাইল বিনে গীত নেই। সংবাদ থেকে বিনোদন, লেখাপড়া থেকে কেনাকাটা সবেতেই এখন ভীষণ ভাবে মোবাইল নির্ভর হয়ে পড়েছে গৃহবন্দি পৃথিবী। তাতেই বাড়ছে বিপদের আশঙ্কা। এতদিন পর্যন্ত যে স্মার্টফোনের বেশি ব্যবহারের বিরুদ্ধে বহু কথা বলা হয়েছে, শরীর-মনের উপর মোবাইলের প্রভাব নিয়ে সকলেই সরব ছিলেন। বিশেষ করে কমবয়সীদের স্মার্টফোন থেকে দূরে রাখার জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা কার্যত এক ধারাবাহিক আন্দোলন হয়ে উঠেছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনের সেই সব সতর্কতায় প্রায় জল ঢেলে দিয়েছে দূরত্ববিধি। তা বজায় রাখতে লম্বা সময় ধরে চলা লকডাউন। সকাল থেকে রাত ঘরবন্দি মানুষ, বাড়ির ছোট সদ্যসটি থেকে রাশভারী কর্তা, মাঝবয়সী গৃহিণী থেকে কিশোরী কন্যা সকলেরই হাতে সারাক্ষণ স্মার্টফোন। আকুলি-বিকুলি করে কী যেন খুঁজে চলেছেন অনুক্ষণ। আর এতেই আগামীদিনে আরও বড় সমস্যায় পড়তে চলেছে পরের প্রজন্ম, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বাড়ির বাইরে বেরনো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরাসরি একের সঙ্গে অন্যের যোগাযোগ বন্ধ হয়েছে। বদলে বেড়েছে ভার্চুয়াল সংযোগ। সারা বিশ্ব জুড়ে পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখার যে প্রক্রিয়া চলছে তাতে স্কুল কলেজ ক্যাফে ক্যান্টিনে আড্ডা বন্ধ। মেলা খেলা আবার কবে শুরু হবে তা কেউ জানেন না। সিনেমা থিয়েটার থেকে শুরু করে নিছকই ঘুরে বেড়ানো অর্থাৎ সরাসরি যোগাযোগের সমস্ত পরিসর এই মুহূর্তে একেবারেই বন্ধ। তারই জায়গা নিচ্ছে ভিডিওকল, চ্যাটরুম, হোয়াটসঅ্যাপের মতো সোশ্যাল মিডিয়া। হাজার একটা রাস্তা দিয়ে ভার্চুয়াল মেলামেশা চলছে। বরং আগের চেয়ে অনেক অবাধ হয়েছে সেই মেলামেশা। এই অসময়ের সুযোগে মোবাইল যোগাযোগ এখন সামাজিক ভাবেই স্বীকৃত। এজন্য নেই কোনও তিরস্কার। বরং আছে প্রশ্রয়। ফলে তা বেপরোয়া এবং বিপজ্জনক। 

চলো নিয়ম মতে

পাশাপাশি দীর্ঘদিন বাড়িতে বসে অফিস করা বাবা-মা বা অন্যান্য ভাবে বড়দের একই ভাবে মোবাইল মুখাপেক্ষী হতে হচ্ছে। ফলে তাঁদের পক্ষেও খুব জোরালো ভাবে বলা সম্ভব হচ্ছে না তোমরা ফোনে হাত দিয়ো না। নিরুপায় এই পরিস্থিতিতে ফোন আরও বড় বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে না তো? প্রতিটি অভিভাবকদের মনে এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে। ‘বয়েজ লকার রুমের’ মতো গ্রুপ চ্যাটের হদিস চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে বিপদের মাত্রা কতদূর। এই পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্ক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। বিশেষ করে কিশোর কিশোরীরা যখন অনলাইনে তখন অভিভাবকরা সঙ্গে থাকুন। বিশেজ্ঞরা বলছেন জোর করে ছোটদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এ সময়ে  কাজের কথা নয়। বরং তাদের হাতে মোবাইল থাকার প্রতিটি মুহূর্তে সঙ্গে  থাকুন বড়রা। তাদের যুক্তি দিয়ে বোঝাতে হবে যে এই সোশ্যাল মিডিয়ার সঙ্গে অন্তরঙ্গতা কী ভাবে তাদের সারাজীবনের ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে। কোন ওয়েবসাইটে তারা যাচ্ছে, কী দেখছে, চ্যাটরুমে গেলে কী ধরনের বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে এগুলোকে তীক্ষ্ণ নজরে রাখতে বলছেন। 

থাকব নাকো বদ্ধ ঘরে

সপরিবার গৃহবন্দি অবস্থায় বহু ক্ষেত্রে বড়দেরও একই ভাবে বাড়ি থেকে অফিসের কাজ করছেন। ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ এখন চেনা শব্দবন্ধ। কিন্তু বড়দের বাড়ি থেকে কাজ করা বা এবং ছোটদের দীর্ঘ সময় একটানা বাড়িতে থাকার ফলে তৈরি হচ্ছে নানান সমস্যা। করোনা আবহে যখন বাড়ির বাইরে পা দেওয়াই লাখ টাকার প্রশ্ন, তখন সব চেয়ে বেশি সমস্যা তৈরি হচ্ছে সেই সব বাবা-মার যাঁরা বাড়ি থেকে কাজ করছেন। বাড়িতে দাপিয়ে বেড়ানো ছেলেমেয়ের জন্য তাঁরাও সময়ের কাজ ঠিক ভাবে কাজ করে উঠতে পারছেন না।  এ ছাড়াও তৈরি হচ্ছে অন্য সমস্যা। প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে,মেয়ে, বাবা, মা কেউই তাঁদের ব্যক্তিগত সময় বলতে কিছুই খুঁজে পাচ্ছেন না। শহরাঞ্চলে ছোট বাড়ি বা দুই কামরার ফ্ল্যাটে অনেকটা সময় গাদাগাদি করে কাটাতে হচ্ছে। শুধু লকডাউন বলে নয়, স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ। বাড়ির বাইরে আড্ডা দেওয়ার সুযোগ আগের তুলনায় অনেক কম। কারও বাড়িতে যাওয়া তিনি পছন্দ না-ও করতে পারেন। ফলে ঘুরেফিরে সেই ঘরের মধ্যেই। এতেই চিড় ধরছে পারষ্পরিক সম্পর্কে। গৃহশান্তি প্রবল ভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। পরিবারের সদস্য সংখ্যা, তাঁদের মধ্যে বয়সের বিভাজন যত কম অশান্তি তত বেশি। বয়ঃসন্ধির বা প্রাপ্তবয়স্ক সন্তান নিয়ে অনেক বেশি জটিলতার মেঘ জমছে পরিবারে।

আসলে আমরা এত দিন যেরকম জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিলাম, করোনা আবহে তা এলোমেলো হয়ে গিয়েছে। জীবনযাপনের চেনা ছক ভেঙে যাওয়ায় তার প্রভাব সকলের ওপরই পড়ছে। তবে এক জন পরিণত মনস্ক মানুষ যে ভাবে তার মোকাবিলা করতে পারেন কমবয়সীরা তা পারে না। তাই বেশি প্রভাবিত তারাই হচ্ছে। মনোবিদেরা বলছেন, এ ক্ষেত্রে সবার আগে দরকার একটা দৈনিক রুটিন। সেই রুটিন যাতে বাড়ির ছোটবড় সবাই মেনে চলবেন। করোনা পূর্ববর্তী সময়ে যে ভাবে জীবনযাপন করা হত পুরোপুরি না হলেও সেই কাঠামো বজায় রেখে প্রতিদিনের সূচী ঠিক করে নেওয়া জরুরি। না হলে পরবর্তী সময়ে আরও সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে, স্থিতাবস্থা ফিরে এলে পুরনো জীবনে ফিরতে অনেকটা সময় লেগে যাবে।  

খবর থেকে দূরে

এই নিউ নর্মাল সময়ে যখন সকলে বাড়িতে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন, তখন শিখতে হবে যাপনের নতুন পাঠ। জানতে হবে কেমন করে চিন্তামুক্ত থাকতে হয়। কেননা কোনও এক সকালে হঠাৎ করে চারপাশ করোনা মুক্ত হয়ে যাবে এমন ভাবার সময় এখনও আসেনি। তাই করোনা নিয়ে অহেতুক উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তার বদলে শিখতে হবে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া। দরকার মানসিকতার পরিবর্তন।  সবাই বাড়িতে। সব চেনা অভ্যাস নিষিদ্ধ। বরং মুখে মাস্ক, বারেবারে হাত ধোয়া সাবান দিয়ে। জ্বর কাশি হলেই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ। সব মিলে সময়টা যে খুব স্বাভাবিক নয় এটা সহজেই অনুমেয়। এই অবস্থায় অহেতুক আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকতে হবে। অভ্যাস করতে হবে বাড়িতে স্বাভাবিক, হাসিখুশি থাকার। উৎফুল্ল অবস্থায় আমাদের শরীরে কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বেশি হয়, যা স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়তে সাহায্য করে। সারা দিন সোশ্যাল মিডিয়া বা টিভিতে অসুখের খবর নিয়ে চর্চা না করে, তা থেকে দূরে থাকুন। বরং বাড়ির ছোট এবং বয়স্কদের বোঝান সমস্যাটা আসলে কী। ভরসা দিয়ে বোঝালে সমস্যা মোকাবিলা করা সহজ হবে। সকলকে বিশ্বাস করাতে হবে, এটা একটা সাময়িক অবস্থা। এই অবস্থা আমরা কাটিয়ে উঠবই।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন
আরও খবর

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন