জাতীয় সড়কের উপরে রোদ-বৃষ্টিতে ঠায় দাঁড়িয়ে কাজ করেন তাঁরা। তার পরেও চার মাস বেতন পাননি। ফলে সোমবার কাজ বন্ধ করে দিলেন সুতির টোল প্লাজায় কর্মরত প্রায় দেড়শো কর্মী। তার জেরে এ দিন সকাল থেকে টোল আদায়-সহ যাবতীয় কাজে অচলাবস্থা তৈরি হয়। টোল আদায়-সহ বিভিন্ন কাজের জন্য জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ এক ঠিকাদারি সংস্থাকে বরাত দিয়েছে। ওই কর্মীরা জানান, চার মাস থেকে তাঁরা বেতন পাচ্ছেন না। অগস্টে তা পাঁচ মাস হবে। বার বার দাবি জানানো সত্বেও বেতন না মেলায় এ দিন সকাল থেকেই ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে সুতির চাঁদের মোড়ের ওই টোল প্লাজার দেড়শো কর্মী কাজ বন্ধ করে দিয়ে ধর্ণায় বসে পড়েন তাঁরা। 

ফলে টোল আদায়ের ১২টি লেনের মধ্যে মাত্র ২টি চালু রেখে সবগুলি বন্ধ করে দিতে হয়।  চালু থাকা লেন দুটিতে ঠিকাদার সংস্থার পদস্থ কর্তারা কাজ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। বিক্ষোভকারী কর্মী জীবনকৃষ্ণ সরকার বলেন, “বকেয়া বেতন চাইলে আজ-কাল বলে হয়রান করা হচ্ছে। আগে বলা হয়েছিল ১৬ জুলাই থেকে ২০ জুলাইয়ের মধ্যে বেতন হয়ে যাবে। কিন্তু তা হয়নি। ফলে সকলেই সমস্যায় পড়ে কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছি।” 

ঠিকাদারি সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, সব টোল প্লাজাতেই কর্মীদের বেতন নিয়ে সমস্যা হয়েছে। দু একদিনের মধ্যেই তা মিটে যাবে।