শ্বাসরোধ করে স্বামীকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হলেন এক মহিলা। কালীগঞ্জের শেরপুরের মোড়ল পাড়া ঘটনা। মৃতের নাম তপন দাস (৪৫)। পুলিশ জানিয়েছে ধৃত ওই মহিলার নাম শিখা দাস। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তপনের দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী শিখা। তাঁদের মধ্যে প্রায় সাংসারিক অশান্তি লেগেই থাকতো। পেশায় পানচাষি তপনকে শনিবার সকালে বাড়ির বাইরে বার হতে না দেখে তাঁর খোঁজে প্রতিবেশীরা যান। তাঁকে ডাকতে গেলে শিখা জানান, তপন ‘গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী’ হয়েছেন। কিন্তু দেহের অবস্থা দেখে তাঁদের সন্দেহ হয়। খবর যায় কালীগঞ্জ থানায়। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়না-তদন্তের জন্য কৃষ্ণনগরের শক্তিনগরে পাঠায়। 

এই ঘটনার পর তপনের বোন সুলেখা দাস বৌদি শিখার বিরুদ্ধে দাদাকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। সুলেখা বলেন, ‘‘বৌদি দাদাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বেঁহুশ করে। তার পর গলায় নাইলনের দড়ি পেঁচিয়ে খুন করেছে।’’

তবে শিখার মেয়ে সুপ্রীতি লাহা বলেন, ‘‘বাড়িতে অশান্তি হলে মা আমাদের কাছে এসে থাকত। মা এই কাজ করতে পারে না। অন্য কেউ এর সঙ্গে যুক্ত। মায়ের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যে।’’

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পেয়ে শিখাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।