• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

অরিন্দম কাণ্ডে জামিন পেলেন চার ধৃত

চাঁদা চেয়ে পরিচালক অরিন্দম শীলকে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় ধৃত চার জনের জামিন মঞ্জুর করল আদালত৷ এ দিন জলপাইগুড়ি আদালত তাঁদের আটশো টাকার বন্ডে জামিন মঞ্জুর করেন৷ সরকারি কৌঁসুলি জামিনের বিরোধিতা করলেও তা কাজ দেয়নি৷

মঙ্গলবার লাটাগুড়িতে একটি রিসর্টে অরিন্দমবাবুকে স্থানীয় কিছু যুবক বাইকে করে এসে পুজোর চাঁদা চান। ক্লাবের সদস্যরা অরিন্দম শীলের ঘরের দরজাতেও ধাক্কাধাক্কি করে বলে অভিযোগ ৷ এই ঘটনার পরই পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন শুভেনবাবু ৷ শুটিং করতে ডুয়ার্সে আসা অরিন্দমবাবুদের হেনস্থা হওয়ার বিষয়টি রাজ্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে যায়৷ নড়ে চড়ে বসে পুলিশও ৷ রিসর্টের সিসিটিভির ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে তল্লাশি শুরু হয়৷ শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় ক্রান্তি থানায় স্নেহাশিস দে ওরফে রাজা ও সুদীপ বল নামে দু’জন আত্মসমর্পণ করেন৷ এ দিন সকালে ফাঁড়িতে আত্মসমর্পণ করেন উত্তম রাহা ও সঞ্জয় পাল নামে দু’জন৷

ধৃতদেরে বিরুদ্ধে অবৈধ জমায়েত, গোলমাল বাঁধানোর চেষ্টা, অনুপ্রবেশ, জোর করে টাকা আদায়, কুৎসিত ইঙ্গিত ও অপরাধ সংগঠিত করার অভিযোগে বিভিন্ন ধারায় (১৪৩, ১৪৭, ১৪৯, ৪৪৮, ৩৮৪, ৩৮৪এ, ৫০৬) মামলা রুজু করা হয় ৷ এর মধ্যে ৩৮৪ এ ধারাটি জামিন অযোগ্য৷ কিন্তু অভিযুক্তদের আইনজীবী সন্দীপ দত্ত সওয়ালে বলেন, কুড়ি হাজার টাকা চেয়ে হুমকি দেওয়ার কথা উঠেছে৷ কিন্তু অভিযুক্তরা সেই টাকা আদায় করেছেন, এমন অভিযোগ করেননি৷ এমনকি চাঁদার কোন রসিদও সেখানে পাওয়া যায়নি৷ তাই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ৩৮৪ এ নম্বর ধারাটি লাগু হয় না৷ তাই তাঁদের জামিন মঞ্জুর করা হোক৷ যার পাল্টা হিসাবে সরকারি কৌঁসুলি অভিজিৎ সরকারের তীব্র বিরোধিতা করেন৷ এবং কেস ডায়েরি আনার আবেদন জানান৷ তবে দুই পক্ষের সওয়াল জবাব শুনে বিচারক শেষ পর্যন্ত চার জনেরই জামিন মঞ্জুর করেন৷

যে ক্লাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই নেতাজি ক্লাব এলাকার বেশ কিছু মানুষ আদালত চত্বরে ভিড় জমিয়েছিলেন৷ তাঁদেরই এক জন ক্ষিতীশচন্দ্র সরকার বলেন, ‘‘সত্যেরই জয় হল৷’’ আরেক বাসিন্দা ঝুমা সেন বলেন, ‘‘অরিন্দমবাবু উত্তরবঙ্গে আবেগ নিয়ে খেলেছেন৷’’ নেতাজি ক্লাবের সম্পাদক প্রসেনজিৎ ঘোষ বলেন, ‘‘যে ঘটনা ঘটেনি, তাতেই ছেলেদের অভিযুক্ত করা হয়েছে৷’’

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন