নম্বর প্লেটহীন গাড়ি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এসজেডিএ’র কর্মী-আধিকারিকদের অনেকে অফিসের কাজে যে গাড়ি ব্যবহার করছেন তাতে নম্বর প্লেট নেই বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের নজরেও এসেছে বিষয়টি। তারা এসজেডিএ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।

বুধবার এ ধরনের একটি গাড়িতে করে শালুগাড়ার দিকে যাচ্ছিলেন এসজেডিএ’র এক বাস্তুকার। দুই মাইল এলাকায় পুলিশের এক আধিকারিক নজরদারি চালানোর সময় বিষয়টি খেয়াল করেন। তিনি গাড়িটিকে দাঁড় করান। গাড়ির সামনে রাজ্য সরকার এবং এসজেডিএ দফতরের নাম লেখা বোর্ড ছিল। সেই গাড়িতে নম্বর প্লেট নেই দেখে হকচকিয়ে যান পুলিশ আধিকারিক। ওই সময় সেই গাড়িতে বসেছিলেন এসজেডিএ’র এক বাস্তকার। পুলিশ গাড়ি দাঁড় করালে নিজের পরিচয় দিয়ে তিনি জানান যে, অফিসের কাজেই তিনি ওই গাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন। অফিসের কাজেই গাড়ি ভাড়া করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। নম্বর প্লেট না থাকায় বিব্রত তিনিও। 

ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ আধিকারিক জানান, এমন হলে তাঁরা বুঝতে পারেন না অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ সরকারি দফতরের বোর্ড ব্যবহার করে নম্বর প্লেটহীন গাড়ি নিয়ে ঘুরছে কি না। বাস্তুকারকে বিষয়টি জানিয়ে সতর্ক করা হয়। বিষয়টি এসজেডিএ কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে হতবাক এসজেডিএ’র চেয়ারম্যান বিজয়চন্দ্র বর্মণও। তিনি বলেন, ‘‘এমনটা হওয়া কখনই কাম্য নয়। বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি।’’ গাড়ি সরবরাহকারী সংস্থার তরফে কেন নম্বর প্লেটহীন গাড়ি দেওয়া হয়েছে তা তিনি বুঝতে পারছে না বলে জানান।

দফতরের আধিকারিকদের কয়েকজন জানান, জরুরি কাজে যাওয়ার সময় গাড়ির খুঁটিনাটি তাঁরা দেখতে বা খোঁজ নিতে পারেন না। নম্বর প্লেটহীন গাড়ি দেওয়া হলে পুলিশের কাছে দফতরের কর্মী-আধিকারিকদের বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। এসজেডিএ’র কার্যনির্বাহী আধিকারিক এস পুন্নমবলম বলেন, ‘‘বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। যে সংস্থার কাছ থেকে গাড়ি ভাড়া করা হয় তাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। কেন নম্বর প্লেটহীন গাড়ি দেওয়া হয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছি।’’