এ বার দক্ষিণ দিনাজপুরেও মোমো খেলার টোপ দিয়ে এক কলেজ পড়ুয়া ছাত্রকে প্রভাবিত করার চেষ্টার অভিযোগ উঠল। শুক্রবার তপন থানার মালাহার এলাকার বাসিন্দা ওই ছাত্র আরিফ সরকারের মোবাইলে হোয়াট্সঅ্যাপে একটি বার্তা আসে তাতে বলা হয়েছে ‘আমি মোমো।’

আরিফ বালুরঘাট কলেজে কলা বিভাগের প্রথম বর্ষের পড়ুয়া। অপরিচিত ফোন নম্বর থেকে নিজেকে মোমো বলে পরিচয় দিয়ে একাধিক মেসেজে বলা হতে থাকে ছাত্রটিকে সে চেনে। তার সঙ্গে কথা বলতে চায়। আরিফের কথায়, ‘‘এ দিন সকাল ১১টা থেকে ওই মেসেজ আসতে থাকে। হোয়াট্সঅ্যাপে বারবার পরিচয় জানতে চাইলেও অন্য প্রান্ত থেকে নিজেকে শুধু মোমো বলে পরিচয় দিতে থাকে। এরপর একবার ফোনও আসে। ভয়ে ধরিনি। ফোন বন্ধ করে দিয়েছি।’’

ব্লু-হোয়েলের মতো মোমো গেমের ভয়াবহতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ওই কলেজ পড়ুয়া রীতিমতো ভয় পেয়ে এর পরে তাঁর মোবাইলের হোয়াটসঅ্যাপ ডিলিট করে দেন। বন্ধু আসিফ মণ্ডলকে বিষয়টি জানালে তাঁরা ওই অচেনা ফোন নম্বর দিয়ে তপন থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ নেয়নি বলেও অভিযোগ। এর পরে তাঁরা বালুরঘাটে এসে পুলিশ সুপারের অফিসে গিয়ে অভিযোগ জমা দেন। জেলা পুলিশ সুপার প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘অভিযোগ হলে খতিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’ আরিফ জানান, যে ফোন নম্বর থেকে হোয়াটসঅঅ্যাপে মেসেজ এসেছিল ওই নম্বর ভারতের নয়। কারা তাকে মোমোর ফাঁদে ফেলতে চেয়ে টোপ দিয়েছে তদন্ত করে পুলিশকে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে আবেদন করেছেন।

আরও পড়ুন: কী ভাবে শিকার ধরছে মোমো? রেহাই কোন পথে?