সমাজে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি রয়েছে এমন ব্যক্তিদের সামনে এনে জলপাইগুড়ি পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘর গোছাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে গেরুয়া শিবির। লোকসভা নির্বাচনে ভোটপ্রাপ্তির নিরিখে জলপাইগুড়ি পুরসভার ২৫টি ওয়ার্ডেই তৃণমূলকে পিছনে ফেলেছে বিজেপি। এই ফল দেখেই পরে পুরসভা ভোটে ভাল ফলের আশা করছে বিজেপি। দলীয় সূত্রের খবর, দল গোছানোর কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে।

জলপাইগুড়ি পুরসভা এখন তৃণমূলের দখলে। পুরভোটের কথা মাথায় রেখে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রচার চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি। প্রচারে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার দুর্নীতি নিয়ে আক্রমণ শানাচ্ছে বিজেপি।

বর্তমানে জলপাইগুড়ি পুরসভার ২৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫টি তৃণমূলের দখলে। পাঁচটি করে ওয়ার্ড রয়েছে কংগ্রেস এবং সিপিএমের দখলে। এখন কোনও ওয়ার্ডই বিজেপির দখলে নেই। তবুও লোকসভা ভোটের ফলের উপর ভরসা করেই জেলা বিজেপির আশা বাসিন্দারা পুরভোটে তাঁদেরই নির্বাচিত করবেন। 

রাজনৈতিক মহলের ধারণা, পুরসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের দেখেই ভোটাররা নির্বাচিত করেন। এই ক্ষেত্রে গেরুয়া শিবির যদি অরাজনৈতিক ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তি রয়েছে এমন নাগরিকদের প্রার্থীপদ দেয় তাহলে প্রতিপক্ষকে বেগ দেওয়া সম্ভব হবে বলে নেতাদের ধারণা। বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক বাপি গোস্বামী বলেন, ‘‘জলপাইগুড়ি পুরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডেই দলের সংগঠন সাজাতে আমরা উদ্যোগী। সৎ ও সামাজিক পরিচিতি রয়েছে এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। জলপাইগুড়ি পুরসভা নির্বাচনে আমরাই বোর্ড গঠন করব। মানুষ তৃণমূলকে পরাস্ত করতে প্রস্তুত। তৃণমূলের দূর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন শুরু করেছি।’’

জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান তথা তৃণমূলের শহর ব্লক সভাপতি মোহন বসু বলেন, ‘‘আমরা আমাদের পুরসভার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছি। আমাদের বিশ্বাস জলপাইগুড়িতে মানুষ ফের আমাদের হাতেই পুরসভার দায়িত্ব তুলে দেবেন।’’