• অভিজিৎ সাহা 
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

লকডাউনের আগে রসদ জোগাড়ে ব্যস্ত গৌড়বঙ্গ

ভিড় বাড়তেই ‘কালোবাজারি’ শুরু জেলায়

Black Marketing
ফাইল চিত্র

জনতা কার্ফুর দিনেই রাজ্যে ঘোষণা হয় ‘লকডাউন’। সোমবার সকালে বাজার খুলতেই হুড়োহুড়ি পড়ে যায় মালদহে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলার শহর থেকে গ্রাম— বাজারে দেখা যায় কেনাকাটায় ভিড় জমিয়েছেন শয়ে শয়ে মানুষ। ভিড় বাড়তেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে শুরু করে আনাজের দাম। ব্যবসায়ীদের একাংশের বিরুদ্ধে কালোবাজারির অভিযোগ তুলে সরব হন সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতি সামাল দিতে বাজারগুলিতে নজরদারি শুরু করেন পুলিশ-প্রশাসনের কর্তারা।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ‘জনতা কার্ফু’ পালনের আর্জি জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাতে শামিল হয়েছিলেন মালদহবাসী। রবিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সুনসান ছিল জেলার রাস্তাঘাট। তবে বিকেলের দিকে উৎসাহী হয়ে কিছু মানুষকে রাস্তায় ঘন্টা, কাঁসর, শঙ্খ নিয়ে ভিড় করতে দেখা যায়। এরইমধ্যে রাজ্যে ‘লকডাউন’ ঘোষণা করা হয়। সেই তালিকায় রয়েছে মালদহের নামও। ২৭ মার্চ পর্যন্ত তা চলবে। তার জেরে সকাল হতেই ভিড় উপচে পড়ে জেলার বাজারগুলিতে। আনাজ, চাল, ডিম মজুত করার হিড়িক পড়ে যায়। 

তারই সুযোগে আনাজের দাম বাড়ানোর অভিযোগ ওঠে ব্যবসায়ীদের একাংশের বিরুদ্ধে। ক্রেতাদের একাংশ জানান, এ দিন সকালে আলু ২২ টাকা, পেঁয়াজ ৩৫, বেগুন ৩৫, মিষ্টি কুমড়োর ফুল ২৫, সজনে ১২০, পটল ১০০, টম্যাটো ৩০, এঁচোড় ৬০, ক্যাপসিকাম ১২০, পেঁয়াজকলি ৪০, গাজর ৫০, করলা ৪০, ফুলকপি ৪০, বাঁধাকপি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

তাঁরা জানিয়েছেন, শনিবার তার চেয়ে ৫-১০ টাকা কম দরে বিক্রি হয়েছে আনাজগুলি। ব্যবসায়ীদের দাবি, ‘‘পর্যাপ্ত পরিমাণে গাড়ি জেলায় আসছে না। ফলে পাইকারি বাজারে আনাজের দাম বাড়ানো হয়েছে। তার জেরে খুচরো বাজারেও সামান্য দাম বেড়েছে আনাজের।’’ 

‘লকডাউনের’ জেরে এ দিন দুপুর পর্যন্ত ইংরেজবাজার শহরের নেতাজি পুরবাজার, মকদমপুর বাজার, কোঠাবাড়ি বাজার. কাজি আজহারউদ্দিন বাজার খোলা ছিল।

স্কুলশিক্ষক মৃণাল চৌধুরী, আইনজীবী অভিজিৎ বসু বলেন, ‘‘করোনা রুখতে ঘরবন্দি থাকা উচিত। তবে কিছু খেতেও হবে। তাই আগামী দিন গুলির জন্য ন্যূনতম খাবার বাড়িতে মজুত করে নেওয়াই ভাল।’’

এই পদক্ষেপে প্রশাসনকে সব রকম ভাবে সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন মালদহের ‘মার্চেন্ট চেম্বার অফ কর্মাসের’ সম্পাদক জয়ন্ত কুণ্ডু।  

মালদহের মহকুমাশাসক (সদর) সুরেশচন্দ্র রানো বলেন, ‘‘কালোবাজারি রুখতে বাজারগুলিতে হানা দেওয়া হচ্ছে।’’

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন