ভূমিকম্পে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে করিডরের দেওয়ালে নতুন করে ফাটল ধরেছে বলে মনে করছেন অনেকে। সাধারণ রোগীদের মধ্যেও এ নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

অভিযোগ, এমনিতেই পুরনো ওই করিডরগুলির ছাদ চুঁয়ে জল পড়ে। গত বুধবারের কম্পনের জেরে সেই ফাটল আরও বড় হয়েছে। করিডরের ছাদের চাঙড়ও খসে পড়ছে। থামের ফাটলগুলিও বড় আকার নিয়েছে। রোগীদের আশঙ্কা, যে কোনও সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

কলেজের অধ্যক্ষ সমীর ঘোষ রায় বলেন, ‘‘করিডরগুলি সংস্কারের ব্যাপারে আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি। বুধবারের ভূমিকম্পের তীব্রতা কয়েক বছর আগের ভূমিকম্পের মত ছিল না। কিছু জায়গার ফাটল বড় হয়েছে বলে শুনেছি। ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’ ২০১১ সালে ব্যাপক ভূমিকম্পের জেরে এই হাসপাতালের বিভিন্ন এলাকায় ফাটল দেখা দিয়েছিল। ওই সময় করিডরগুলিরও একাংশে ফাটল ধরে। বিশেষ করে থামগুলি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেক জায়গায় দেওয়ালেও ফাটল ধরে। এই ভুমিকম্পে সেই ফাটলগুলি আরও বড় আকার নিয়েছে বলে অভিযোগ। দোতলায় শিশু বিভাগের কাছে, মহিলা সার্জিক্যাল বিভাগের উপরে থামে ফাটল দেখা গিয়েছে। এর আগে ওই থামগুলি সংস্কারের টাকা এলেও তা খরচ হয়নি। তবে কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছেন, শীঘ্রই পুরনো করিডরগুলি ভেঙে নতুন করে করিডর তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হবে। কয়েক মাসের মধ্যেই ওই কাজ শুরু হবে।

হাসপাতালের সুপার কৌশিক সমাজদার বলেন, ‘‘করিডরগুলি সংস্কারের ব্যাপারে রোগী কল্যাণ সমিতির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফের ওই খাতে বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। শীঘ্রই সেই কাজ শুরু হয়ে যাবে।’’