কোথাও দুই দেশের মাঝে নদী। কোথাও চাষের জমি। মালদহ জেলায় দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে উন্মুক্ত। আর এই উন্মুক্ত সীমান্ত নিয়েই উদ্বেগে জেলার পুলিশ থেকে শুরু করে বিএসএফও। 

স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে, বুধবার সীমান্ত এলাকার পাশাপাশি মালদহ জেলা জুড়েই তল্লাশি চালাল বিএসএফ ও পুলিশ। বুধবার মালদহের গুরুত্বপূর্ণ স্থান গুলিতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। বিএসএফ কর্তাদের দাবি, সীমান্তে জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট। 

বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার মোট ১৭৮ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। তারমধ্যে ৫০ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে উন্মুক্ত। এরমধ্যে ২০ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে জলপথ। উন্মুক্ত সীমান্ত নিয়েই উদ্বিগ্ন বিএসএফ ও পুলিশ কর্তারা। জানা গিয়েছে, মালদহে বিএসএফের ব্যাটালিয়নের জওয়ানেরা সীমান্তে নজরদারি চালায়। 

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার মিলক সুতলানপুর, শব্দলপুর, দৌলতপুর, পারদেওনাপুর, ইটাহাটি, বেলডাঙা, মুচিয়া, আদমপুর-সহ প্রভৃতি সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ওই এলাকাগুলিতে বাড়তি নজরদারি চালানো হচ্ছে। 

বিএসএফ কর্তাদের দাবি, সাইকেলের মাধ্যমে টহলদারি চালানো হচ্ছে। এছাড়া, জলপথে স্পিডবোটের মাধ্যমে চলছে নজরদারি। জলপথে নজরদারি চালানোর ফলে প্রচুর গরু আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএসএফ কর্তারা। তাদের দাবি, অপরিচিত কাউকে দেখলেই স্থানীয় থানা কিংবা ক্যাম্পে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে গ্রামবাসীদের। বিএসএফের পাশাপাশি পুলিশি নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে জেলায়। 

এ দিন মালদহ টাউন স্টেশনে তল্লাশি চালানো হয়। মালদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক সরকার, ইংরেজবাজার থানার আইসি শান্তনু মৈত্রের নেতৃত্বে শপিং মল, বাসস্ট্যান্ডে তল্লাশি চালানো হয়।