প্রায় চল্লিশ দিন পর জেল থেকে মুক্তি পেলেন বিজেপির জনজাতি নেতা জন বার্লা।

শনিবার সকালে জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে ছাড়া পান জন। এ দিন জন ছাড়া পেতেই চা বলয়ের বিজেপি কর্মী ও নেতৃত্ব স্থানীয়দের মধ্যে উৎসাহ ছড়িয়ে পড়ে। আবির খেলে, বাজনা বাজিয়ে জনকে চা বলয়ে দফায় দফায় বরণের পালা চলতে থাকে। নাগরাকাটা জলঢাকা সেতু রবীন্দ্র ভানু মোড় থেকেই তাঁকে বরণ করে নেওয়া হয়। লুকসান এলাকার বাসিন্দা তথা জেলা পর্যায়ের নেতৃত্ব অরুণ ওয়াইবার উপস্থিতিতে জনকে নিয়ে নাগরাকাটা বাজার জুড়ে মিছিল হয়। এরপর একে একে লুকসান, বানারহাটের বিভিন্ন এলাকা এবং জনের বাড়ির চা বাগান লক্ষ্মীপাড়াতেও গেরুয়া আবির উড়তে থাকে।

জন এ দিন বলেন, “আমাকে জেলে পুরেও চা বলয়ের ভোট পায়নি তৃণমূল। এত সন্ত্রাস চালিয়েও চা বলয় জুড়ে পদ্ম ফুটে আছে। লোকসভা নির্বাচনে এই সুফল আমরা আরও বেশি মাত্রায় পাব। জনকে ঘিরে এই উচ্ছ্বাসের পরিবেশ রচনা হওয়ায় খুশি বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বও।” রাজ্য সাধারণ সম্পাদক প্রতাপ সামন্ত বলেন, “জন যে চা বলয়ের জননেতা তা ওঁকে ঘিরে আজকের উচ্ছ্বাসে আরেকবার প্রমাণিত হল। জন থাকলে আমাদের আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদেও জয় হত।”

তবে বিজেপির এই আনন্দ ও তাঁদের প্রতি অভিযোগকে আমল দিতে চাননি তৃণমূলের জলপাইগুড়ির জেলা সভাপতি সৌরভ চক্রবর্তী। আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সৌরভ বলেন, “সর্বশেষ বিধানসভা নির্বাচন তো কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতেই হয়েছিল, সেখানে নাগরাকাটার আসনে তৃতীয় হয়েছিলেন জন। কাজেই আমাদের বিজেপিকে নিয়ে কোনও উদ্বেগই নেই।’’ তাঁর দাবি, যেসব কাজ পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্যে আটকে ছিল তা দ্রুত রূপায়ণের দিকেই নজর দিচ্ছি।”