অন্য বুথে নোট, বিতর্কে তিরকে
গত ১৮ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন ফাঁসিদেওয়ার ১৩৬ নম্বর বুথে বুথ-জ্যামের অভিযোগ ওঠে।
Sunil Chandra Tirkey

কংগ্রেস বিধায়ক সুনীল তিরকে। —ফাইল চিত্র।

নিজের এলাকার বাইরে অন্য বুথের ভিতরে ঢুকে প্রিজ়াইডিং অফিসারের ডায়েরিতে ‘নোট’ লিখে বিতর্কে ফাঁসিদেওয়ার কংগ্রেসের বিধায়ক সুনীল তিরকে। গত ১৮ এপ্রিল দার্জিলিং কেন্দ্রে ভোটের দিন এই ঘটনায় অনিয়মের অভিযোগ তুলছে তৃণমূল। জেলা নির্বাচন আধিকারিক জয়সী দাসগুপ্ত বলেন, ‘‘কার কী ভূমিকা ছিল, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’ 

গত ১৮ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন ফাঁসিদেওয়ার ১৩৬ নম্বর বুথে বুথ-জ্যামের অভিযোগ ওঠে। ঘটনার অভিযোগ পেয়ে সেখানে যান এলাকার বিধায়ক সুনীল। তাঁর দাবি, ওই বুথে কংগ্রেসের কোনও এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ ছিল। বুথ জ্যাম করা হয়েছিল বলে তিনি খবর পেয়ে সেখানে যান। তাঁর কথায়, ‘‘আমি যাওয়ার আগেই পুলিশ সবাইকে সরিয়ে দিয়েছিল। আমি কিছু দেখতে না পেয়ে বেরিয়ে আসছিলাম। প্রিজ়াইডিং অফিসার আমাকে ডেকে কী দেখলাম, তা লিখে দিতে বলেন খাতায়। আমি মন্তব্যের খাতায় ‘স্বাভাবিক’ লিখে সই করে দিয়েছিলাম।’’ জেলা নির্বাচন দফতর সূত্রে দাবি করা হয়েছে, সুনীলবাবু ওই বুথের ভোটার নন। তিনি সেখানে গিয়ে প্রিজ়াইডিং অফিসারের খাতায় কোনও ‘নোট’ লিখতে পারেন না। সেটা নিয়েই আপত্তি তৃণমূলের। 

বিধি অনুসারে, প্রার্থীর এজেন্ট বা সংশ্লিষ্ট বুথের ভোটাররাই কেবল প্রিজ়াইডিং অফিসারের মন্তব্য খাতায় নোট দিতে পারেন। তা কি বিধায়কের জানা ছিল না? সুনীলবাবুর দাবি, ‘‘এ সব কোনও বড় ব্যাপার নয়, আমরা অভিযোগ তুলেছিল বলে বিষয়টিকে নিয়ে জলঘোলা করার চেষ্টা করছে তৃণমূল।’’ সুনীলবাবুর দাবি, কেনই বা প্রিজাইডিং অফিসার তাঁকে মন্তব্য লিখতে বলেন, তা-ও দেখা হোক।

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯