সমীক্ষা ওড়ালেন অর্পিতা
এই সমীক্ষাকে একদমই আমল দিতে নারাজ তৃণমূলের নেতাদের একাংশ। আবার অন্য অংশের দাবি, এই সমীক্ষা নিয়ে অবাক হবার কোনও কারণ নেই।
arpita

অর্পিতা ঘোষ। ফাইল চিত্র।

বুথফেরত সমীক্ষার সম্ভাব্য ফল প্রকাশ হতেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। চায়ের ঠেক থেকে সন্ধের আড্ডা, সব জায়গাতেই এই সমীক্ষার সত্যতা নিয়ে চলছে তুমুল তর্কবিতর্ক, চুলচেরা বিশ্লেষণ। সমীক্ষা-ফলের ভিত্তিতে রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যেও শুরু হয়েছে অঙ্ক কষা। যদিও বিজেপি ছাড়া বাকি কোনও দলই এই সমীক্ষা মানতে নারাজ।

২০১৪ সালের নির্বাচনে বামেদের দখলে থাকা বালুরঘাট কেন্দ্র ছিনিয়ে নেয় তৃণমূল। সেবার বাম প্রার্থী বিমল সরকারকে এক লক্ষ ছয় হাজার ভোটে হারিয়ে জয়ী হন তৃণমূলের অর্পিতা ঘোষ। বিজেপি তৃণমূলের থেকে প্রায় দু’লক্ষ ভোটের ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে সেবার তৃতীয় হয়েছিল। তারপরে আত্রেয়ী দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। পরবর্তী বিধানসভা ও পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি শক্তি বৃদ্ধি করে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। তবু আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল এই কেন্দ্রে অর্পিতাকেই ফের প্রার্থী করেছে। অন্যদিকে, বিজেপির বাজি নতুন মুখ সুকান্ত মজুমদার। এই কেন্দ্রে মূলত তৃণমূলের সঙ্গে লড়াই হয়েছে বিজেপির। বুথফেরত সমীক্ষার দাবি, তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতাকে হারিয়ে জয়ী হচ্ছেন বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত। রবিবার সন্ধেয় সমীক্ষার সম্ভাব্য এই ফল প্রকাশ হতেই কার্যত আলোড়ন পড়েছে জেলায়। 

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

যদিও এই সমীক্ষাকে একদমই আমল দিতে নারাজ তৃণমূলের নেতাদের একাংশ। আবার অন্য অংশের দাবি, এই সমীক্ষা নিয়ে অবাক হবার কোনও কারণ নেই। তাঁদের দাবি, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভ এবং সর্বোপরি পঞ্চায়েত ভোটের হিংসা— এইসবই তৃণমূলের বিপক্ষে গিয়েছে। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর মেগা-জনসভা ও হিন্দুত্বের প্রচারের জেরে ভোট ভাগাভাগি হয়েছে। এই দুই অঙ্ক মিলিয়ে বিজেপিরই পাল্লা ভারি হয়েছে, যা বুথফেরত সমীক্ষায় প্রতিফলিত হয়েছে। যদিও তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা এই তত্ত্ব মানতে নারাজ। তিনি বলেন, ‘‘এ ধরনের সমীক্ষার বিজ্ঞানসম্মত ভিত্তি নেই। পঁচিশটা মানুষের সঙ্গে কথা বললে কি গোটা কেন্দ্রের ভোটের আভাস পাওয়া যায়? তাই আমি মোটেও চিন্তিত নই।’’ 

এ দিকে, সুকান্ত বলেন, ‘‘সমীক্ষা কোনও ফল নয়। তাই বেশি উৎসাহ দেখানোর প্রয়োজন নেই। তবে তৃণমূল স্তরে আমাদের কর্মীদের থেকে নেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে যে আভাস আমরা পেয়েছি, তা এই সমীক্ষার সঙ্গে মিলে গিয়েছে। যদিও শেষ কথা বলবে ২৩ মে।’’ অন্যদিকে, তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা বিগত দিনের সমীক্ষা-ফলের হিসেব না মেলার দৃষ্টান্ত দিয়ে ত