বিজেপির বিরুদ্ধে কমিশনে তৃণমূল
তৃণমূলের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার ভোটের দিন রাতে ১৪৪ ধারা অমান্য করে কোচবিহার পলিটেকনিকে ভোটের সামগ্রী বিতরণ ও জমা দেওয়ার কেন্দ্র (ডিসিআরসি) চত্বরে দলবল নিয়ে ঢুকে পড়েন বিজেপি প্রার্থী।
BJP

ধর্না: পুনর্ভোটের দাবিতে বৃহস্পতিবার অবস্থানে বিজেপি প্রার্থী। নিজস্ব চিত্র

বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলে কোচবিহার কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাল তৃণমূল। শুক্রবার ওই ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের দিল্লি দফতরে চিঠি পাঠানো হয়। ওই চিঠিতে বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিককে গ্রেফতারের দাবিও জানিয়েছেন তারা। নিশীথের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

তৃণমূলের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার ভোটের দিন রাতে ১৪৪ ধারা অমান্য করে কোচবিহার পলিটেকনিকে ভোটের সামগ্রী বিতরণ ও জমা দেওয়ার কেন্দ্র (ডিসিআরসি) চত্বরে দলবল নিয়ে ঢুকে পড়েন বিজেপি প্রার্থী। সংরক্ষিত ওই এলাকাতেই বেআইনি ভাবে জমায়েত করা হয়। যা নির্বাচন বিধিভঙ্গের মধ্যে পড়ছে। নিশীথের মনোনয়ন বাতিলের দাবিও জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। এ ছাড়াও সে সময় একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও কোতোয়ালি থানার আইসি হেনস্থার মুখে পড়েন। তৃণমূলের কোচবিহার জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, “বিজেপি প্রার্থীর বিধিভঙ্গের ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। আমরা তাঁর গ্রেফতারের দাবিও কমিশনকে ওই চিঠিতেই জানিয়েছি।” 

বিজেপি অবশ্য তৃণমূলের ওই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। বিজেপির দাবি, কোচবিহার কেন্দ্রের বহু এলাকায় সন্ত্রাস করে তৃণমূল। ওই ব্যাপারে অভিযোগের পাশাপাশি পুনর্নির্বাচনের দাবি জানাতেই প্রার্থী সেখানে গিয়েছিলেন। বিজেপির কোচবিহার জেলা সভানেত্রী মালতী রাভা বলেন, “যাঁরা একজন পুলিশ অফিসারকে বাঁচানোর জন্য কলকাতায় বিনা অনুমতিতে ধর্নায় বসেন, তখন তাঁদের এ সব ভাবনা কোথায় থাকে। তা ছাড়া আমরা অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলাম। অন্য ব্যাপার ছিল না তৃণমূল যা খুশি করতে পারে।” নিশীথের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। 

দলীয় সূত্রে জানানো গিয়েছে, বৃহস্পতিবার একাধিকবার ডিসিআরসিতে অভিযোগ জানাতে যান বিজেপি প্রার্থী। রাতে সন্ত্রাসের অভিযোগ, পুনর্নির্বাচনের দাবিতে সেখানে অনুগামীদের নিয়ে অবস্থানে বসেন বিজেপি প্রার্থী। তা নিয়ে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, সেসময়েই পুলিশ ও  ওয়াই ক্যাটাগরি নিরাপত্তা পাওয়া নিশীথের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআইএসএফ জওয়ানদের মধ্যে হাতাহাতি হয়।