এক মদ্যপ যুবকের তাণ্ডবে আতঙ্ক ছড়াল জলপাইগুড়ির পুরসভা সংলগ্ন এলাকায়৷ অভিযোগ, রবিবার বিকেলে পথচারীদের মারধরের পাশাপাশি রাস্তায় পাথর ছুড়ে দু’টি গাড়ির কাচও ভেঙে দেয় সে৷ শেষ পর্যন্ত জনতা তাকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়৷

রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় পুরসভা সংলগ্ন রাস্তায় ভিড় একটু কমই ছিল৷ বিকাল ৫টা নাগাদ আচমকাই যুবককে দেখা যায় সেখানে৷ স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, ‘‘রাস্তায় যাকে সামনে পাচ্ছিল তার পথ আটকে যুবকটি কিল ঘুঁষি মেরে চলছিল৷ কেউ দাঁড়াতে না চাইলে তার উদ্দেশে ইট, পাথর ছুঁড়ছিল৷ দু’টি গাড়ির কাচ লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে যুবকটি৷’’

ওই দু’টি গাড়ির একটির মালিক অনির্বাণ বিশ্বাস বলেন, ‘‘পুজোর কেনা-কাটার জন্য বাজারে যাচ্ছিলাম। আচমকাই রাস্তায় যুবকটিকে দেখতে পাই৷ হাত দেখিয়ে সে আমার গাড়িটি দাঁড় করায়৷ তার পরই পাথর ছুড়ে গাড়ির সামনের কাচটা ভেঙে দেয়৷’’

প্রায় আধঘণ্টা ধরে এমন তাণ্ডব চালানোর পরই পথচারীরা ওই যুবকে ধরে ফেলেন৷ তার পর শুরু হয় গণধোলাই৷ খবর পেয়ে পুলিশও ঘটনাস্থলে ছুটে যায়৷ তবে তার আগেই গণধোলাইয়ে রীতিমত কাবু যুবক৷ জনতাই এরপর তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়৷ ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর দীনেশ রাউত বলন, স্থানীয় বাসিন্দাদের হাতে ধরা পড়ার পর ওই যুবকটি নিজের নাম উত্তম থাপা বলে জানিয়েছে৷ পুলিশ জানিয়েছে, নিছক মদ্যপ অবস্থায় থাকার জন্য, নাকি ওই যুবকের এমন আচরণে অন্য কোন কারণ রয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে৷