• নমিতেশ ঘোষ
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

কাটমানি নিয়েও খোঁজ পিকে টিমের

Prashant Kishor
প্রশান্ত কিশোর। —ফাইল চিত্র।

টিম পিকের নজর এ বার পরিষেবার হাল ও ‘কাটমানি খাওয়া’ নেতাদের দিকেও।

কোন এলাকায় কী কী উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, আর কী কী হয়নি তা নথিবদ্ধ করছেন টিম পিকে-র সদস্যেরা। যে কাজ হয়েছে তার মান কেমন, যে কাজ হয়নি, তা কেন হয়নি, সব খোঁজখবর করেই রিপোর্ট জমা করছেন তাঁরা। 

কোচবিহারে ওই কাজ শুরু হতেই ঘুম উড়েছে একাধিক তৃণমূল নেতার। দলীয় সূত্রেই জানা গিয়েছে, বেশ কিছু নেতা কমিশন ছাড়া কাজই করেননি। তাঁদের নামও উঠে আসছে পিকে-র খাতায়। দল সেইভিত্তিতে কাটমানি নেওয়া নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে। তৃণমূলের কোচবিহার জেলা সভাপতি বিনয়কৃষ্ণ বর্মণ বলেন, “দল স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মানুষকেই দায়িত্ব দিচ্ছে। সেই হিসেবে নানা তথ্য রাজ্য নেতৃত্বের কাছে যাচ্ছে। টিম পিকেও নিজেদের মতো কাজ করছে।”

দলীয় সূত্রে খবর, কোচবিহারে তৃণমূল নেতাদের একাংশের বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। জেলা পরিষদ থেকে শুরু করে গ্রাম পঞ্চায়েত স্তর পর্যন্ত ওই কাটমানির লেনদেন চলতে থাকে। জেলা পরিষদের দায়িত্বে থাকা একাধিক জনপ্রতিনিধি পাঁচ থেকে দশ শতাংশ কাটমানি ছাড়া কোনও কাজ করেননি বলেও অভিযোগ। বিরোধীরা তো বটেই, দলের অন্দরেও অভিযোগ, টেন্ডারের আগেই কাটমানির টাকা জেলার একাধিক নেতার বাড়িতে পৌঁছে যায়। পঞ্চায়েত সমিতিতেও একাধিক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ রয়েছে। 

টিম পিকের কাছে আরও অভিযোগ গিয়েছে, গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে জনপ্রতিনিধি এবং দলের একাধিক দায়িত্বে থাকা নেতা তিন থেকে চার শতাংশ কাটমানি নেওয়ার পরেই কাজের অনুমোদন দেন। 

গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে প্রধান প্রতিপক্ষ বিজেপির কিছু নেতাও তৃণমূলের স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন বলে অভিযোগ। সে জন্য কাজের মান নিয়েও কেউ কোনও প্রশ্ন তোলেন না।

বিজেপির কোচবিহার জেলা সভানেত্রী মালতী রাভা বলেন, “তৃণমূল দুর্নীতিতে ডুবে গিয়েছে তা সবাই জানে। আর কাটমানি ছাড়া যে কোনও কাজ হয় না, তা গ্রামের একটি শিশুও জানে। বিজেপির বিরুদ্ধে যা বলা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন।” তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি পার্থপ্রতিম রায় বলেন, “কারও বিরুদ্ধে স্পষ্ট কোনও অভিযোগ থাকলে তা দলীয় ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন