রেজিস্ট্রারকে হেনস্থার অভিযোগ উঠল বিশ্ববিদ্যালয়েরই একদল ছাত্রের বিরুদ্ধে। রেজিস্ট্রারের অফিস ক্যাম্পাসের গেটের তালা ভাঙে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। ছাত্রদের আচরণে ক্ষুব্ধ নিগৃহীত রেজিস্ট্রার বিপ্লব গিরি। উপাচার্য স্বাগত সেনকে বিষয়টি জানিয়েছেন তিনি।  বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে বলে জানান গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। 

মাত্র দু’দিন আগে পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশের দাবিতে রাতভর উপাচার্যকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় একদল ছাত্র। এ দিন দুপুরে ছাত্রদের একাংশ জমায়েত হয়ে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার বিপ্লববাবুর ঘরে ঢোকার চেষ্টা করেন। নিরাপত্তা রক্ষীরা ক্যাম্পাসের গেটে তালা দিয়ে দেন। ছাত্রদের একাংশ তালা ভেঙে বিপ্লবের ঘরে ঢুকে পড়েন বলে অভিযোগ। অভিযোগ, রেজিস্ট্রারকে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি করা হয়।

হইচই পড়ে যায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। বাড়তি নিরাপত্তা রক্ষী, অন্য আধিকারিকেরা ছুটে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। বিপ্লব বলেন, “মাত্র কিছু ছাত্রের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দেড় হাজার ছাত্রের ভবিষ্যৎ নষ্ট হচ্ছে। পরিকল্পনা করে রোজ অশান্তি করার চেষ্টা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “দু’দিন আগে উপাচার্যকে হেনস্থা করা হয়েছিল। এদিন আমাকে হেনস্থা করা হয়েছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে সমস্ত কিছুই পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে।”

যদিও অভিযুক্ত ছাত্রদের দাবি, স্নাতকোত্তর দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা ১৯ সেপ্টেম্বর। অথচ, প্রথম সেমিস্টারের পুনর্মূল্যায়নের ফল এখনও প্রকাশিত হয়নি। এ দিন সেই বিষয়ে কথা বলার জন্য গেলে রেজিস্ট্রারের নিরাপত্তা রক্ষীরা ঢুকতে বাধা দেন বলে দাবি করেন তাঁরা। 

বিক্ষুব্ধ ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি প্রসূন রায়। তিনি বলেন, “ছাত্রদের দাবি যুক্তি সঙ্গত। তবে এ দিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাংচুর কিংবা হেনস্থার মতো কোন ঘটনা ঘটেনি।”