ছেলেধরা সন্দেহে এ বার ফেরিওয়ালাকে মারধরের অভিযোগ উঠল ইসলামপুরে। শনিবার ইসলামপুর থানার রামগঞ্জ এলাকার কদমগাছি এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। জনতার হাত থেকে তাঁকে উদ্ধার করতে গেলে পুলিশের সঙ্গেও  বিবাদ বাধে। পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। এ দিন ইসলামপুর থানার দহস এলাকাতেও গণপিটুনির শিকার হলেন এক ব্যক্তি। ইসলামপুর পুলিশ জেলা পুলিশ সুপার সচিন মাক্কার বলেন, ‘‘কয়েকটি জায়গায় ওই গুজব নিয়ে উত্তেজনা ছড়ানোর খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। রামগঞ্জ থেকে দু’জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে প্রচার চলছে।’’

সারা বছর ধরে কাপড় ফেরি করেন মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরের বাসিন্দা দুই ফেরিওয়ালা জুনিয়র হোসেন ও  মামুন শেখ। ইসলামপুর  থানার রামগঞ্জ এলাকার  কদমগাছি এলাকায় কয়েক জন ব্যক্তি তাদের ছেলে ধরা আওয়াজ তুলে। নিমেষের মধ্যে তাঁদের ঘিরে ফেলে এলাকার বহু বাসিন্দা। তাদের বেধড়ক মারধর করতে থাকে বলে। পুলিশ উদ্ধার করে ইসলামপুর হাসপাতালে ভর্তি করেছে। 

দু’জনেরই দাবি, তাঁদের কাছ থেকে প্রায় ৫ হাজার টাকা এবং তাঁদের বাইক ও ব্যাগবোঝাই শাড়ি লুট করেছে  হামলাকারীরা। 

ইসলামপুর থানারই দহসো এলাকা এক যুবককে আটকে রেখে ব্যাপক মারধর করে। পুলিশ পৌঁছলে এলাকার বাসিন্দাদের কয়েক জন পুলিশকে জানায় ছিনতাই করে পালানোর সময় ওই যুবককে ধরেছে তারা। এদিন তাকেও  উদ্ধার করে ইসলামপুর থানা নিয়ে এসেছে পুলিশ।

এলাকার ফেরিওয়ালাদের অনেকেই জানান, গুজব যে ভাবে চলছে, তাতে পুজোর আগে যে কোনও সামগ্রী বিক্রি করাই কঠিন।