তুফানগঞ্জ মহকুমা প্রশাসনের  উদ্যোগে শান্তি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের বিধানসভা এলাকা নাটাবাড়িতে। কিন্তু তার কিছু ক্ষণ পরেই বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষে ফের উতপ্ত হয়ে ওঠে রবীন্দ্রনাথ ঘোষের নাটাবাড়ি বিধানসভার ধলপল ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ছাটরামপুর এলাকা। বৃহস্পতিবার রাত ৭টার ঘটনা। ঘটনাস্থলে যায় তুফানগঞ্জ থানার পুলিশ। তৃণমূলের তিন জন আহত হন বলে জানা যায়। দু’জন তুফানগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এক জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর েছড়ে দাওয়া হয়। হাসপাতাল সুত্রে খবর আহত চিকিৎসাধীন দু’জনের নাম রাজিমুদ্দিন মিয়াঁ ও রঞ্জিত সরকার। গৌর আলিকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দাওয়া হয়। বিজেপি নেতৃত্ব এই ঘটনা অস্বীকার করেছ।

অভিযোগ এই বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল ও বিজেপি রাজনৈতিক সংঘর্ষে বারেবারে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।  প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য এই বৈঠক হয়।  সকাল ১১ টা থেকে নাটাবাড়ি ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের  একটি ব্যাঙ্কের পাশে খোলা আকাশের নীচে বৈঠক হয়। যদিও এই শান্তি বৈঠকে তৃণমূল-বিজেপি কোনও নেতৃত্বকে দেখা যায়নি। মন্ত্রীর দাবি তাঁদের প্রতিনিধি ছিলেন। শান্তি  বৈঠকের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রশাসনকে তিনি। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য  জেলায় মিটিংয়ের জন্য থাকা সম্ভব হয়নি বৈঠকে। 

শান্তি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তুফানগঞ্জ মহকুমারশাসক অরবিন্দ ঘোষ, তুফানগঞ্জ ১ ব্লকের বিডিও শুভজিৎ দাশগুপ্ত। এসডিপিও জ্যাম ইয়াং  জিম্বা, তুফানগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। অন্য সাধারণ জনগণের সঙ্গে ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধি ছিল এই শান্তি বৈঠকে। মোতায়েন ছিল বিরাট পুলিশ বাহিনী।  

স্থানীয়দের অভিযোগ লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের পর এলাকায় শান্তি ছিল । দেড় সপ্তাহ আগে হয়ে যাওয়া তৃণমূলের একটি মিছিলের পর বিজেপি এবং তৃণমূলের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নাটাবাড়ি এলাকা। কোথাও বাড়ি ভাঙচুর কোথাও কাউকে ছুরি দিয়ে মারার মতো ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা শান্তি বৈঠকে নাটাবাড়ি এলাকায় পুলিশ ক্যাম্পের দাবি করেছে প্রশাসনের কর্তাদের কাছে।