• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

অপহরণ-কাণ্ডে আটক দুই নেতা, অস্বস্তি তৃণমূলে

TMC
প্রতীকী ছবি।

মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল নেতাকে অপহরণের ঘটনায় আটক পাঁচ জনের মধ্যে দুজন তৃণমূলেরই নেতা। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা প্রত্যেকেই কালিয়াচক এলাকার বাসিন্দা। দলীয় সূত্রে খবর, এ ভাবে দলের এক নেতাকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে দলেরই দুই নেতা আটক হওয়ায় অস্বস্তিতে পড়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। 

সোমবার ভরদুপুরে বাড়ি থেকে অপহরণের চেষ্টা করা হয় তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলামকে। স্থানীয় সূত্রে খবর, যে গাড়িতে জহিরুল ছিলেন, সেই গাড়িটি আট কিলোমিটার দূরে ধরে ফেলেন এলাকার বাসিন্দারা। 
 
পুলিশের পাশাপাশি তৃণমূল নেতাদের একাংশের সন্দেহ, চাকরির নামে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত ঘটনার জেরে জহিরুলকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পালানোর সময় দুষ্কৃতীরা কয়েক রাউন্ড গুলিও ছোঁড়ে। মালদহের পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। পাঁচ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। সব কিছু খতিয়ে দেখেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।
 
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মশালদহে হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্র লাগোয়া বাড়ি থেকে জহিরুলকে অপহরণ করে একদল দুষ্কৃতী। কয়েক জন এলাকাবাসী তাড়া করায় ভয় দেখাতে শূন্যে গুলিও ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ভালুকা ঢেলাই মোড়ে বাসিন্দারা গাড়ির পথ আটকে ওই নেতাকে উদ্ধার করেন।
 
পুলিশ জানায়, অভিযোগের ভিত্তিতে অপহরণ ও অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের একটি ছোট গাড়িও উদ্ধার করা হয়েছে। সেটি দুর্ঘটনার মুখে পড়েছিল। তবে ওই গাড়ির আরোহী কারও হদিশ মেলেনি। লেনদেন সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই জহিরুলকে অপহরণের চেষ্টা করা হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান। কী নিয়ে লেনদেন, নাকি অন্য কারণ রয়েছে, সব কিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের ভূমিকা কী ছিল তা দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
 
জহিরুল এ দিন বলেন, টাকা লেনদেনের কোনও ঘটনা নেই। কারা কেন এমন করল বুঝতে পারছি না।এ নিয়ে জেলা 

তৃণমূল সভানেত্রী মৌসম নুর বলেন, ‘‘এটা দলের কোনও বিষয় নয়, এ বিষয়ে দল কিছু জানেও না। যদি কেউ অন্যায় করে থাকে তা হলে আইন আইনের পথেই চলবে।’’

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন