প্রথা মেনে ৫১ কুমারীকে দেবীরূপে পুজো করা হল কঙ্কালীতলায়। কুমারী পুজো ঘিরে কঙ্কালীতলায় শুক্রবার কয়েক হাজার মানুষ এসেছিলেন।

এ দিন কঙ্কালীতলায় পঞ্চবটীর নীচে ৫ থেকে ৯ বছরের বয়সের কুমারীদের লাল পাড় সাদা শাড়ি পড়িয়ে সাজিয়ে দেবী রূপে পুজো করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই পুজো শুরু হয়েছিল চার দশকেরও বেশি আগে। কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কাপাসটিকুড়ি গ্রামের চট্টোপাধ্যায় পরিবারের সদস্য বুদ্ধদেব চট্টোপাধ্যায় কঙ্কালীমায়ের স্বপ্নাদেশ পেয়ে ত্রয়োদশীর দিন এই কুমারী পুজোর সূচনা করেছিলেন। সেই থেকেই দুর্গাপুজোর পরের ত্রয়োদশীর দিনে এই পুজো হয়ে আসছে। সতীর দেহের ৫১টি খণ্ডকে মন্ত্রের দ্বারা একত্রিত করে সঙ্কল্পের মাধ্যমে ঘটে স্থাপন করা হয়। তার পরে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিয়ে কুমারীদের পুজো করা হয় হোমযজ্ঞের মধ্য দিয়ে।

পুজো উপলক্ষে এ বছরও মহোৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল কঙ্কালীতলায়। দূরদূরান্ত থেকে মনোবাঞ্ছা পূরণের জন্য ভক্তেরা কুমারী মেয়েদের সাজিয়ে পুজোতে নিয়ে আসেন। পুজো উপলক্ষে কঙ্কালীতলা মন্দির চত্বরে এক দিনের মেলা বসে। এই পুজো দেখতে কঙ্কালীতলার আশেপাশে গ্রাম সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে বহু মানুষের সমাগম হয়। এই পুজোর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বুদ্ধদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘সকলের মঙ্গল কামনার্থে এই পুজো।’’