অকাল বৃষ্টিতে পাত্রসায়রের আলুচাষে ক্ষতির পরিমাণ ১২ কোটি টাকা। কৃষি দফতরের রিপোর্টে এই তথ্য উঠে এসেছে।

শুক্রবার ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখতে পাত্রসায়রে আসেন মুখ্যমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টা প্রদীপ মজুমদার। প্রদীপবাবু বলেন, ‘‘গতকাল রাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন, এলাকায় গিয়ে কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে। তাঁদের সহায়তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা নিতে। জমি শোধনের জন্য যা সাহায্য দরকার, সব করবে সরকার।’’

এদিন প্রদীপবাবুর সঙ্গে ছিলেন জেলার উপ কৃষি অধিকর্তা সুশান্ত মহাপাত্র, বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি শুভাশিস বটব্যাল এবং জেলা পরিষদের অন্যতম পরামর্শদাতা আশুতোষ মুখোপাধ্যায়। পাত্রসায়রের বেলুট-রসুলপুর সহ বেশ কয়েকটি মৌজা ঘুরে দেখেন তারা। চাষীদের সঙ্গে কথা বলেন প্রদীপবাবু।

প্রদীপবাবু জানান, আলু কেনার জন্য ইতিমধ্যেই ৬৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। অকালবর্ষণে চাযজমির বেশ ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি উপদেষ্টা। তাঁর কথায়, ‘‘জমি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে। জমির ‘পি এইচ’ তিন পয়েন্ট কমে গেছে। এখন কোনও ফসলই হবে না। উপকারী ব্যাক্টিরিয়া নষ্ট হয়ে গিয়েছে।’’

অকালবর্ষণের প্রভাবকে ‘অঘোষিত বিপর্যয়’ আখ্যা দেন প্রদীপবাবু। তিনি জানান, বিভিন্ন জমির নমুনা সংগ্রহ হয়েছে। কী ভাবে জমি পুনরায় চাষযোগ্য করে তোলা যায়, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা হবে। এই কাজটি করবে সরকার

সোনামুখীর কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে কৃষি, মৎস্য এবং প্রাণী সম্পদ বিকাশ বিভাগে র আধিকারিকদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রীক কৃষি উপদেষ্টা। জানতে চান, কী ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত  কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করেছেন তাঁরা।

সূত্রের খবর, প্রদীপবাবু বৈঠকে উপস্থিত আধিকারি্কদের উদ্দেশে বলেন, তাঁরা কোনও প্রস্তাব দিলে তা নিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সচিব ও মন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলবেন।