হিংলো নদের উপরে ভাসাপুল চাই। তা হলেই পঞ্চায়েত এলাকার সঙ্গে ব্লকের দূরত্ব এক ধাক্কায় কমে যায় প্রায় ১৫ কিমি। এমন দাবি দীর্ঘ দিন ধরেই ছিল খয়রাশোলের কেন্দ্রগড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দাদের। সেই দাবি মেনে হিংলো নদীর পানসিউড়ি ঘাটে তৈরি হয়েছে প্রায় ১৫০ মিটার লম্বা কজওয়ে। 

খয়রাশোল পঞ্চায়েত সমিতি জানিয়েছে, পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদের ৮০ লক্ষ টাকায় সেতুটি তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রগড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, গ্রাম থেকে খয়রাশোল আসতে হলে পাঁচড়া ঘুরে আসতে হত। বিভিন্ন কাজে খয়রাশোল ব্লক বা নাকড়াকোন্দা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতেও অতিরিক্ত ১৫ কিমি পথ আসতে হত। বর্ষায় অন্তত তিন থেকে চার মাস এই দুর্ভোগ ছিল এলাকার মানুষের। সেই দুর্ভোগ ঘুচল। এতে উপকৃত হবেন কম করে ২০-৩০টি গ্রামের মানুষ।

তবে, এখনও একটা কিন্তু রয়েছে। ওই রাস্তা ব্যবহারকারীরা জানিয়েছেন, এখনও ভাসাপুলের দু’দিকের রাস্তা কাঁচা। খয়রাশোলের দিকে সেতুর ঠিক পরেই একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গা রয়েছে। জমি মালিকের থেকে সেই জায়গা না নিলে সেতু সংযোগকারী রাস্তা গড়া সম্ভব নয়। খয়রাশোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শ্যামল গায়েন বলছেন, ‘‘জমির মালিকের সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত সমস্যা মিটবে। পরিকল্পনা রয়েছে ওই রাস্তাটিকে প্রধানমন্ত্রী সড়ক যোজনায় যুক্ত করারও।’’ তেমনটা হলে শুধু কেন্দ্রগড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত নয়, রাজনগর খয়রাশোল থেকে আসানসোলের দূরত্ব ১৫ কিমি কমে যাবে। এই রাস্তা ধরে সোজা ভীমগড়ে ওঠা যাবে।