• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

নিশানায় রামপুরহাট জেলা হাসপাতাল

জ্বর হলেই রেফার

Mosquito

স্বাস্থ্যজেলা তো কি হয়েছে! অধিকাংশ ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না থাকায় ন্যূনতম চিকিৎসা পেতেও বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। আবার স্বাস্থ্যজেলার লাইফলাইন রামপুরহাট হাসপাতালকে জেলা হাসপাতালে উন্নীত করা হলেও সেখান থেকেও রোগীদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে রেফার করা হচ্ছেই। হাসপাতালের পরিষেবা সংক্রান্ত এ রকমই নানা ক্ষোভ নিয়ে সোমবার হাসপাতাল সুপারের কাছে স্মারকলিপি জমা দিল বিজেপি।

বিজেপি-র রামপুরহাট শহর মণ্ডল কমিটির কর্মীরা স্মারকলিপি দিতে গিয়ে প্রথমেই হাসপাতাল থেকে জ্বরের রোগীদের রেফার করা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক শুভাশিস চৌধুরীর অভিযোগ, ‘‘রামপুরহাট জেলা হাসপাতালে জ্বরের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের দু’তিন দিন হাসপাতালে ভর্তি রাখার পরেই যেন তেন ভাবে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। শেষ মুহূর্তে নিয়ে আসা হয়েছে জানিয়ে দায় সারছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজও। তার মাঝে প্রাণে মরছেন রোগী।’’ শনিবার জ্বরে ভুগে নলহাটির শীতলগ্রামের এক বধূর মৃত্যু হয়। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এর জন্যেও দায়ী রামপুরহাট জেলা হাসপাতাল।

হাসপাতাল সুপার সুবোধকুমার মণ্ডলের ব্যাখ্যা: জ্বরের রোগীদের ক্ষেত্রে অনেক ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত কিটের জোগানের অভাবে বর্ধমান মেডিক্যাল হাসপাতালে রেফার করা হচ্ছে। আবার কিছু ক্ষেত্রে উন্নত চিকিৎসার জন্য বর্ধমান রেফার করা হয়ে থাকে।

বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, রাজ্যের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বীরভূমেও ডেঙ্গি রোগী দিনের পর দিন বাড়ছে। অথচ, রামপুরহাট হাসপাতাল নিজেই ডেঙ্গির আঁতুরঘর হয়ে রয়েছে। হাসপাতালের নিকাশি নালার জমা জল পরিষ্কার হয় না। নালায় জমে থাকা প্লাস্টিক, অন্য জঞ্জালও পরিস্কার করা হয় না। সে সব নিয়মিত সাফাইয়ের দাবি তুলেছেন নেতৃত্ব।

নিয়মিত নিকাশির প্রশ্নে সুপার সুবোধকুমার মণ্ডল অবশ্য দখলদারকে দায়ী করেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘হাসপাতাল চত্বরের নিকাশি নালাগুলির সঙ্গে লাগোয়া জাতীয় সড়কের হাইড্রেনের যোগ আছে। সেই হাইড্রেন আবার দখল করে ব্যবসা করা হচ্ছে। মন্ত্রী থেকে প্রশাসনের সমস্ত জায়গায় সে সব জানানো হয়েছে। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত নিকাশি নালা দখলমুক্ত করা যায়নি। তার ফল ভুগছে হাসপাতাল।’’ নবনির্মিত সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল নিয়েও বিজেপি নেতৃত্ব ক্ষোভ উগরে দেন। সুপার জানান, বিষয়টি নজরে আছে। তাঁর কথায়, ‘‘সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে এখনও কিছু পরিকাঠামো গত ত্রুটি আছে। সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে মহিলা বিভাগ, পুরুষ বিভাগ এবং অন্য বিভাগগুলি হাসপাতালের  প্রধান বিভাগ থেকে সরানো নিয়েও কথাবার্তা চলছে।’’

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন