সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

অহেতুক ‘মাস্ক’ নয়, বলছেন ডাক্তারেরা

Masks
নোভেল করোনাভাইরাসের আতঙ্কে প্রচুর মানুষ ‘মাস্ক’ পরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। যেটা ক’দিন আগেও যে দশ টাকায় পাওয়া যেত, এখন ৮০-৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ‘মাস্ক’ বিলি করছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, এই সমস্ত মুখ-ঢাকনিতে করোনাভাইরাস আটকানো যায় না। গোলপোস্টে লাগানোর জাল দিয়ে যেমন মশারি হয় না, তেমনই বাজারচলতি কোনও ‘মাস্ক’-দিয়েই ভাইরাস ছাঁকা অসম্ভব। কোন ‘মাস্ক’-এ কী হয়, খোঁজ নিল আনন্দবাজার।
 
‘সার্জিকাল মাস্ক’

•অস্ত্রোপচারের সময়ে শল্যচিকিৎসকেরা ব্যবহার করেন। ০.৯ মাইক্রন বা তার থেকে বড় কণা এর ছাঁকনিতে আটকে যায়। খুব ভাল ‘সার্জিকাল মাস্ক’ হলেও বড়জোর ০.৪ মাইক্রন মাপের কণা আটকাতে পারে। নোভেল করোনা ভাইরাস তার থেকেও সূক্ষ্ম। মাপ ০.৩ মাইক্রন। ফলে অনায়াসে ভিতরে চলে যাবে।

কাপড়ের ‘মাস্ক’
 
•কোনও কাজই হয় না। কাপড়ের বুনন অনেক ফাঁকা-ফাঁকা হয়। তার ভিতর দিয়ে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ধুলো— সব গলে যায়। এই ‘মাস্ক’ পরে দূষণও বিশেষ আটকায় না। কাপড়ের ‘মাস্ক’ পরে যদি কেউ হাঁচেন বা কাশেন, তা হলে তার সর্দি বা কফের কণার কিছুটা মুখের ভিতরে আটকে থাকবে বড়জোর। তা-ও পুরোটা নয়। 
 

এন৯৫ ‘মাস্ক’
 
• ৯৫-এর কথাটার মানে, বাতাসের শতকরা ৯৫ ভাগ কণা আটকাবে। ধুলো, করোনাভাইরাস, জলকণা— সব। পরে ঘোরার জিনিস নয়। টানা পরলে দেহের তাপমাত্রার ভারসাম্য নষ্ট হবে। অসুস্থতা দেখা দেবে। আক্রান্তের পরিচর্যার জন্য পরলে মিনিট কুড়ি পরপর খুলে খোলা বাতাসে শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে হবে।
 

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন