প্রচারে বাধা কেন, অবস্থানে রেজাউল 
সিপিএমের অভিযোগ, অন্য গ্রামে প্রচার সেরে বোধগ্রামে ঢোকার মুখেই এলাকায় তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত শেখ আসগরের নেতৃত্বে গ্রামের পথ আটকে দাঁড়ায় তৃণমূলের মোটরবাইক বাহিনী।
Karim

অবস্থানে প্রার্থী। নিজস্ব চিত্র

প্রচারে বাধা পেয়ে দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে থানার সামনে অবস্থানে বসলেন বীরভূম কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী রেজাউল করিম। তৃণমূলের মোটরবাইক বাহিনীর বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ থাকলেও, তাতে জুড়ে গিয়েছে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার প্রসঙ্গও।

সিপিএমের অভিযোগ, রবিবার দুবরাজপুরের পদুমা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বোধগ্রাম ও লাগোয়া লোবা এলাকার কয়েকটি গ্রামে প্রার্থীকে নিয়ে প্রচার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। নির্বাচন কমিশনের অনুমতিও ছিল। সিপিএমের অভিযোগ, অন্য গ্রামে প্রচার সেরে বোধগ্রামে ঢোকার মুখেই এলাকায় তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত শেখ আসগরের নেতৃত্বে গ্রামের পথ আটকে দাঁড়ায় তৃণমূলের মোটরবাইক বাহিনী। তাদের বাধায় বোধগ্রামে প্রচারই করা যায়নি। এমসিসির ফ্লায়িং স্কোয়াড থেকেও কিছু করেনি। আর পুলিশ ছিলই না। এক ঘণ্টা পরে পুলিশ পৌঁছেও দুষ্কৃতীদের হঠানোর ব্যবস্থা করেনি।

সিপিএমের প্রশ্ন, কেন আগাম বলার পরেও পুলিশ থাকবে না? কেন এক জন প্রার্থী প্রচার চালাতে পারবেন না? প্রার্থী রেজাউল করিম বলছেন, ‘‘নির্বাচনের এত আগেই যদি এই হাল হয়, তা হলে ভোট কেমন হবে বোঝাই যাচ্ছে। আমি জেলা নির্বাচনী আধিকারিক সহ সব জায়গায় অভিযোগ করেছি। থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।’’ জেলার পুলিশ সুপার আভারু রবীন্দ্রনাথ বলেন, ‘‘সিপিএম প্রার্থী ১৫টি গ্রামে প্রচার চালিয়েছেন। 

কোথাও সমস্যা হয়নি। শুধু একটি জায়গায় বাধা পেয়েছেন বলে অভিযোগ জানিয়েছেন। আমরা অবশ্যই আইন মেনে পদক্ষেপ নেব।’’ জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসু জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী বীরভূমে পৌঁছলেই নিয়মিত রুট মার্চ শুরু হবে।

তৃণমূল অবশ্য প্রচারে বাধার অভিযোগ মানতে চায়নি। তৃণমূলের দুবরাজপুর ব্লক সভাপতি ভোলানাথ মিত্র বলছেন, ‘‘সাধারণ মানুষ বাধা দিয়েছেন বলে শুনেছি। দলের কেউ ওখানে ছিল না। সাধারণ মানুষ কেন বাধা দিলেন, সেটা অবশ্য তাঁরাই বলতে পারবেন।’’