নকুলদানার সঙ্গে ভোটের ময়দানে নামল ধূপশলাকাও
শুক্রবার সকালে বোলপুর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুকান্ত হাজরার নেতৃত্বে শ’খানেক তৃণমূল কর্মী ভুবনডাঙ্গা থেকে ধূপকাঠি জ্বালিয়ে প্রচার করেন।
election

প্রচার: ধূপশলাকা নিয়ে প্রচার তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের। শুক্রবার বোলপুরে। —নিজস্ব চিত্র।

এ বার নেতার কথা মতো ধূপশলাকা হাতে প্রচারে নেমে পড়লেন দলের কর্মীরা। তার সঙ্গে দোসর ছিল নকুলদানাও।

বৃহস্পতিবার ডাকবাংলো ময়দানে তৃণমূলের প্রকাশ্য জনসভায় শলাকা হাতে নিয়ে বুথের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকার নির্দেশ দেন কর্মীদের। অনুব্রতর বলেছিলেন, ‘‘শলাকা দেখিয়েই ভোট করে নেবেন। কী রাখতে হবে তা আপনারা ভাল জানেন আমার থেকে।’’ পরে নানুরের সভায় বলেছিলেন, ‘‘নকুলদানা ভোটের দিন সকালেই বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে যাবে। আর ধূপকাঠি বুথ থেকে অনেক দূরে থাকবে। কারণ, বুথ তো পবিত্র জায়গা। কখন, কী কারণে ধূপকাঠির ব্যবহার হবে তার ব্যাখ্যা ৩০ তারিখে দেব।’’

শুক্রবার সকালে বোলপুর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুকান্ত হাজরার নেতৃত্বে শ’খানেক তৃণমূল কর্মী ভুবনডাঙ্গা থেকে ধূপকাঠি জ্বালিয়ে প্রচার করেন। পথ চলতি মানুষদের নকুলদানাও বিলি করেন। বোলপুর লজ মোড় হয়ে শান্তিনিকেতনের এক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সামনে মিছিল শেষ হয়। কাউন্সিলর জানান, জেলা তৃণমূলের সভাপতির নিদান মতোই প্রচার করা হয়েছে। হেঁয়ালি করে বলছেন, ‘‘বাইরে থেকে প্রচুর মশা এলাকায় ঢুকে পড়েছে। তাদের তাড়ানোর জন্যই শলাকা নিয়ে ওয়ার্ডের বিভিন্ন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরলাম।’’ তৃণমূলের কর্মীরা এই প্রচারে যত মজাই পান না কেন, বিষয়টিকে ভাল চোখে দেখছে না বিরোধীরা। বিজেপির জেলা সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘নকুলদানা,  শলাকা এত দিন জানতাম পুজোর সামগ্রী। এমন জিনিসকেও মস্করা করে রাজনীতিতে নামিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। এর থেকে বড় লজ্জার আর কিছু নেই।’’

দিল্লি দখলের লড়াইলোকসভা নির্বাচন ২০১৯ 

এই নিয়ে বীরভূম জেলা সিপিএমের সম্পাদক মনসা হাঁসদার টিপ্পনি, ‘‘ধূপশলকা দেখিয়ে তৃণমূল দলটাকে আগে পবিত্র করা দরকার। ওদের গায়ে এত কলঙ্কের দাগ আছে, ধূপশলাকা দেখালেও যাবে না।’’

২০১৪ লোকসভা নির্বাচনের ফল

আপনার মত