পোশাক, মাদলের আর্জি শতাব্দীকে
শতাব্দী বলেন, ‘‘এখন নির্বাচনী নির্ঘণ্ট রয়েছে। তাই কোনও প্রতিশ্রুতি দিতে পারব না। ভোটের পরে যা বলার বলব।’’ 
Satabdi Roy

শতাব্দী রায়। —ফাইল চিত্র

সাংসদকে তো আর সব সময় কাছে পাওয়া যায় না। শাসক দলের বিদায়ী সাংসদকে তাই প্রচারে পেয়ে নিজেদের আর্জি রাখলেন আদিবাসী পুরুষেরা। রবিবার সিউড়ি ১ ব্লকের নডিহা গ্রামে শতাব্দী রায়ের প্রচারে এমনই এক ছবির দেখা মিলল। যদিও নির্বাচনী বিধিনিষেধ বুঝে কোনও রকম প্রতিশ্রুতি দিতে নারাজ হলেন বিদায়ী সাংসদ।

রবিবার সকাল দশটা নাগাদ সিউড়ি ১ ব্লকের পাঁচকাঠ, বাতাসপুর, নডিহা-সহ একাধিক এলাকায় প্রচারে করেন বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়। প্রচারের সময় নডিহা গ্রামে আদিবাসী লোকজনেরা ওঁকে ঘিরে ধরেন। আর্জির সুরে নিজেদের জন্য নাচের পোশাক, ধামসা-মাদল এবং পরিচয় পত্র দেবার জন্য অনুরোধ জানান। সমবেত স্বরে বলেন, ‘‘আমরা যাতে নাচের পোশাক, ধামসা-মাদল এবং পরিচয়পত্র পাই সেটা একটু দেখবেন।’’ শতাব্দী বলেন, ‘‘এখন নির্বাচনী নির্ঘণ্ট রয়েছে। তাই কোনও প্রতিশ্রুতি দিতে পারব না। ভোটের পরে যা বলার বলব।’’ 

রবিবার সিউড়ি ১ ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় পথসভা এবং মিছিলের মাধ্যমে প্রচার সারেন শতাব্দী। সেখান থেকে মল্লিকপুর পঞ্চায়েতের ভুরকুনা এবং পানুড়িয়া এলাকায় প্রচার করেন। এর পরে কিছু সময়ের বিরতি দেবার পরে সিউড়ি থানা এলাকার মনিস্টিলে একটি জনসভা করেন। সেখান থেকে সিউড়ি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়ে আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে হাজির হন। সেখানে থেকে কড়িধ্যা ও সংলগ্ন এলাকায় প্রচার করেন।