তারাপীঠের একটি লজে মিলল এক যুবকের দেহ। সোমবার সকালে। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই লজের একতলার বারান্দায় ছিল মৃতদেহটি। পুলিশ জানায়, তাঁর নাম অজয়কুমার ভকত (৪০) ওরফে পাপ্পু। বাড়ি বিহারের পূর্ণিয়ার গোলাপবাগে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তারাপীঠের ওই লজটি দ্বারকা সেতুর সংলগ্ন। বিহারের পূর্ণিয়ার গোলাপবাগের পাঁচ যুবক রবিবার রাত সওয়া ১০টা নাগাদ সেই লজে আসেন। তাঁরা জানিয়েছিলেন, ঝাড়খণ্ডের দেওঘরে বৈদ্যনাথধাম দর্শনের পরে মাতারার মন্দিরে এসেছেন। লজের ম্যানেজার পল্লব সিংহ জানান, চার তলার ৪০১ নম্বর ঘরে তাঁরা উঠেছিলেন। সোমবার সকাল ১১টায় ‘চেক আউট’ ছিল তাঁদের। রবিবার রাতে বাইরে নৈশাহারের পরে রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ লজে ফিরে ঘরে চলে যান তাঁরা। সোমবার ভোর সওয়া ৫টা নাগাদ ওই যুবকদের এক জন লজের রিসেপশনে এসে জানান, তাঁদের এক জন লজের চারতলার ঘরের বারান্দা থেকে একতলার বারান্দায় পড়ে মারা গিয়েছেন। লজের লোকেরা গিয়ে দেখেন, একতলার বারান্দায় রক্তাক্ত অবস্থায় ওই যুবক পড়ে রয়েছেন। পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

ওই দলের সদস্য রাধেশ্যাম ভকত বলেন, ‘‘রাতে খাওয়াদাওয়া করে ঘরে ফিরে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। ভোরে উঠে পাপ্পুকে না দেখে খোঁজ শুরু করি। তখনই দেখতে পাই ও একতলার বারান্দায় পড়ে রয়েছে। কী ভাবে এমন হল বুঝতে পারছি না।’’ তাঁর আশঙ্কা, নেশার ঘোরে পাপ্পু নীচে পড়ে যেতে পারেন। 

পুলিশ সূত্রে খবর, পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন পাপ্পু। বিহারে তাঁর বাড়িতে স্ত্রী এবং দুই নাবালক ছেলে রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, এক নয় কোনও ভাবে তিনি নীচে পড়ে গিয়েছেন, না হয় কেউ তাঁকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়েছে। লজের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।