• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

পথে পুলিশ সুপার

সরবরাহ ঠিক রাখতে বৈঠক

police
সরেজমিন: পুরুলিয়া শহরের বাজার পরিদর্শনে জেলা পুলিশ সুপার এস সেলভামুরুগান। শুক্রবার। ছবি: সুজিত মাহাতো

‘লকডাউন’-এর মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের সরবরাহ ব্যবস্থা যাতে ভেঙে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে পাইকারি ব্যবসায়ীদের নিয়ে নিজের অফিসে বৈঠক করলেন পুরুলিয়ার জেলাশাসক রাহুল মজুমদার। বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই বৈঠক হয়। ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার এস সেলভামুরুগান এবং বণিকসভার সদস্যেরাও। 

জেলাশাসক বলেন, ‘‘আমরা বলেছি, সরবরাহ সচল রাখতে। কোনও সমস্যা হলে প্রশাসন পাশে রয়েছে।’’ শুক্রবার পুরুলিয়া শহরের পাইকারি বাজার ও একাধিক খুচরো দোকানে ঘোরেন পুলিশ সুপার নিজে। ব্যবসায়ীদের বলেন, ‘‘দোকান খোলা রাখুন। প্রয়োজনে বেশি সময় খোলা রাখুন। কোনও সমস্যা হলে পুলিশকে জানাবেন।’’ 

ক্রেতাদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিছু বিক্রেতা রাতারাতি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। প্রশ্ন করলে পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার কথা বলছেন। এ দিকে, চড়া দামেই সে সব জিনিস কিনে নিচ্ছেন কিছু ক্রেতা। প্রবল সমস্যায় পড়ছেন অল্প আয় বা দিন-আনা দিন-খাওয়া মানুষজন। সম্প্রতি বাজারদরে লাগাম দিতে প্রশাসনের কাছে লিখিত আর্জি জানান ঝালদা ২ ব্লকের চ্যেকা পঞ্চায়েতের কিছু বাসিন্দা। 

‘ওয়েস্টবেঙ্গল চেম্বার অফ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ়’-এর পুরুলিয়া জেলা শাখার  সাধারণ সম্পাদক বামাপ্রসাদ পুইতুণ্ডি বলেন, ‘‘আমাদের কাছেও অভিযোগ এসেছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী যে এটা করছে না, এমন দাবি করতে পারি না। তবে এটা পাইকারি বাজারের ছবি নয়।’’ তাঁর দাবি, পাইকারি বাজারে জোগান ঠিক রয়েছে বলে জেলাশাসককে জানানো হয়েছে। 

তবে জিনিসপত্র ওঠা-নামা করানোর জন্য শ্রমিক পেতে অসুবিধা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি।  বামাপ্রসাদবাবুর কথায়, ‘‘শ্রমিকেরা গ্রাম থেকে আসেন। পুলিশ তাঁদের আটকে দিচ্ছে। মারধরও করছে বলে অভিযোগ পাচ্ছি। অবিলম্বে এটা বন্ধ করতে হবে।’’ তিনি জানান, এমন সমস্যা হবে না বলে বৈঠকে তাঁদের আশ্বস্ত করেছেন পুলিশ সুপার। 

মানবাজার ব্যবসায়ী সমিতির মুখপাত্র আনন্দময় সেন বলেন, ‘‘যা মজুত রয়েছে, তাতে আর এক সপ্তাহ চলে যাবে। তার পরে জিনিস না এলে সঙ্কট দেখা দিতে পারে।’’ বামাপদবাবু বলেন, ‘‘ভিন্ রাজ্য থেকে আসা ডাল, আটা, তেল আর মশলার উপরে পুরুলিয়ার পাইকারি বাজারের অনেকটা নির্ভর করে। এমন কিছু জিনিসের ট্রাক উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারে আটকে রয়েছে। চালকেরা আসতে ভয় পাচ্ছেন।’’ প্রশাসনের কথা মতো ওই সমস্ত ট্রাকের তালিকা তৈরি করে দিচ্ছেন তাঁরা।  দুর্নীতি দমন শাখা ও কৃষি বিপণন দফতরের লোকজন শুক্রবার সকালে রঘুনাথপুর শহরের হাটতলার আনাজ বাজার ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বড় মুদি দোকানগুলি পরিদর্শন করেন। ঝালদার চড়িদা, কুশলডি-সহ কিছু এলাকায় যান এসডিও (ঝালদা) সুশান্ত ভক্ত।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন