প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে দু’দুবার নাগালে পেয়েও পঞ্চায়েতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নালিশ জানালো না বিজেপি। বিজেপির দাবি, মোদী শুক্রবারে শান্তিনিকেতনে এসেছিলেন বিশ্বভারতীর আচার্য হিসেবে। জেলা বিজেপি সূত্রে জানানো হয়েছে, পুরোপুরি সরকারি অনুষ্ঠানে আর রাজনীতি টানার চেষ্টা করা হয়নি।

‘পঞ্চায়েত নির্বাচনে পুলিশ ও প্রশাসনের ভূমিকা কী ছিল, তা তথ্য প্রমাণ সহ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হবে’— এ কথা বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। সিউড়িতে সায়ন্তন বলেছিলেন, ‘‘বিশ্বভারতীর আচার্য তথা দেশের প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার শান্তিনিকেতনে আসছেন। আমরা সরকারি ভাবে আমন্ত্রণ পেয়েছি। ওঁকে স্বাগত জানাতে যাব। অনুষ্ঠানেও যোগ দেব। মাঝে রাজনৈতিক কথাবার্তা হবে। কিছু তথ্য প্রমাণ ওঁর হাতে তুলে দেওয়ার আছে।’’ কী প্রমাণ? সংবাদমাধ্যমের এমন প্রশ্নের উত্তরে সায়ন্তনের অভিযোগ ছিল, ‘‘এ রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনে পুলিশ, তৃণমূল মিলিত ভাবে বীরভূমে অত্যাচার চালিয়েছে। তারই কিছু সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ওঁকে জানাতে চাই।’’

যদিও শেষবেলায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে যান বিজেপি-র রাজ্য নেতারা। শুক্রবার হ্যালিপ্যাডে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত এবং বিদায় জানাতে হাজির ছিলেন, বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, নেতা রাহুল সিংহ, মুকুল রায়, লকেট চট্টোপাধ্যায় ও বিজেপি-র জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায়েরা। জেলা বিজেপির এক নেতা অবশ্য বলছেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে কোনও ভাবেই যাতে দল প্রাধান্য না পায় তা নিয়ে স্পষ্ট বার্তা ছিল। তাই দেখা করে শুভেচ্ছা বিনিময় করলেও নালিশ জানানো হয়নি।’’