মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের জেলাসফরে আসতে পারেন, তাই সেজে উঠছে তারাপীঠ। ক’দিন আগেই বীরভূমে প্রশাসনিক বৈঠকে এসে তারাপীঠে যাওয়ার ইচ্ছের কথা বলেছিলেন তিনি। চলতি মাসের শেষেই তাঁর তারাপীঠে যাওয়ার কথা শুনেই শহর সাজানো শুরু হয়েছে জোরকদমে। মঙ্গলবার থেকে তারাপীঠের মন্দিরেও সংস্কার এবং রং করার কাজ শুরু হয়েছে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে।

মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংস্কারের জন্য সোমবার রাতেই বিগ্রহকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে সংলগ্ন শিব মন্দিরে। আট বছর আগে মন্দিরে শেষবার রঙ করানো হয়েছিল। এ বার মুখ্যমন্ত্রীর আসার খবরে রংটাও হয়ে যাচ্ছে বলে কর্মকর্তাদের দাবি।     

তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান সুকুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘তারাপীঠের মন্দিরকে সাজানোর জন্য প্রথম পর্যায়ের কাজ প্রায় 

শেষের দিকে। ভোগের ঘর, সোলার উনুন, মন্দিরের চাতাল তৈরি করা হয়েছে। এখন দরকার মন্দিরের সংস্কার এবং রং করা। সেই কারণেই মঙ্গলবার থেকে রঙের কাজ শুরু হয়েছে।’’ তবে রং নতুন করে হলেও তা পরিবর্তন করা হচ্ছে না বলে মন্দির কমিটির সেবায়েতরা জানান। সেই সঙ্গে মন্দিরের গায়ে ক্ষতিগ্রস্ত টেরাকোটা এবং গর্ভগৃহের ভিতরেও সংস্কার করা হবে। মন্দির কমিটির তরফ থেকে জানানো হয়, রং এবং সংস্কার করতে দশ দিন সময় লাগতে পারে। তত দিন শিব মন্দিরেই পুজো হবে।