শিক্ষক দিবস পালনের মঞ্চে ছাত্র ও শিক্ষকদের সংবর্ধনা জানাল দুবরাজপুর পুরসভা। পুরসভার বক্তব্য, ২০০৪ সাল থেকে এ ভাবেই দিনটি পালন করা হচ্ছে। বুধবার সকালে অনুষ্ঠান হয় দুবরাজপুরের নবমির্মিত লোকমঞ্চ অডিটরিয়ামে। শহরের ১২ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক উত্তীর্ণ ৭৩৩ জন পড়ুয়াকে এক মঞ্চে সংবর্ধনা জানানো হয়। পুরপ্রধান পীযূষ পাণ্ডে, উপ-পুরপ্রধান মির্জা সৌকত আলি ও অন্যান্য পরপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন  জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরী ও বিধায়ক নরেশ বাউড়ি। পুরপ্রধান বলেন, ‘‘শিক্ষক দিবস শুধু শিক্ষকদের জন্যই নয়, এই দিনটি পড়ুয়াদেরও। সে কথা মনে রেখেই অনুষ্ঠানের রূপরেখা ঠিক করা হয়।’’ এ দিন পড়ুয়াদের জন্য একটি ‘জিওগ্রাফিক ল্যাব কাম মিউজিয়াম’-এর উদ্বোধন করা হয় দুবরাজপুর চিনপাই উচ্চবিদ্যালয়ে। কালপুরুষ, সপ্তর্ষিমণ্ডল সহ চিহ্নিত বিভিন্ন তারার আকাশে অবস্থান কোথায়, তা জানাতে বিশাল ছবি, বিভিন্ন রকমের শিলাখণ্ড রাখা হলেও মিউজিয়ামের মূল আকর্ষণ পৃথিবীর ২০১টি দেশের জাতীয় পতাকা। সেটির উদ্বোধন করেন শান্তিনিকেতন পাঠভবনের প্রাক্তন অধ্যক্ষ  চঞ্চল বন্দ্যোপাধ্যায়।
শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ওয়েস্ট বেঙ্গল তৃণমূল প্রাইমারি (সাঁইথিয়া সার্কেল) শিক্ষক সংগঠনের পক্ষ থেকে সাঁইথিয়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালের ১৭০ জন রোগীকে ফল-মিষ্টি বিতরণ করা হয়। নানুর ব্লক তৃণমূল শিক্ষা সমিতির পক্ষ থেকে ব্লকের সমস্ত হাইস্কুলে আলোচনা চক্রের আয়োজন করা হয়। কীর্ণাহার শিবচন্দ্র হাইস্কুলে বৃক্ষরোপণ ও শিক্ষকদের ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
শিক্ষক দিবসে স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা অভয়াপদ ভট্টাচার্যের স্মরণে স্মৃতি পুরস্কার চালু করল বড়শাল উচ্চ বিদ্যালয়। স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি বছর এই পুরস্কার পঞ্চম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতি ক্লাসের প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানাধিকারীদের দেওয়া হবে। তা ছাড়াও ওই পুরস্কার পাবে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় স্কুলের সেরা পড়ুয়ারা। স্কুল পরিচালন কমিটির সভাপতি ত্রিদিব ভট্টাচার্য জানান, এ বছর মাধ্যমিকে স্কুলের সেরা সায়ন মণ্ডল ও তমোময়ী ভট্টাচার্য এবং উচ্চ মাধ্যমিকে অর্মত্য ভট্টাচার্য্য ও অঙ্কিতা চক্রবর্তীকে পুরস্কার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ শতাব্দী রায় সহ অন্য অতিথিরা।
শিক্ষক দিবসে মুরারই থানার মহুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিনয় ঘোষ স্কুলের মেধাবী পড়ুয়াদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য স্কুলের তহবিলে ১ লক্ষ টাকা দান করেন।
শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় রাজ্যে দশম স্থানাধিকারী ছাত্র সায়ন কর্মকার এবং মহম্মদ চন্দন আলিকে পুরস্কৃত করে রামপুরহাট জিতেন্দ্রলাল বিদ্যাভবন বিদ্যালয়। অনুষ্ঠান হয় রামপুরহাট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, মুরারই থানার রাজগাঁও মহামায়া উচ্চ বিদ্যালয় এবং রাজগাঁও বালিকা বিদ্যালয়ে।