১৬ অগস্ট বিশ্বভারতীতে আসছেন উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু। তার সফরের প্রস্তুতি হিসেবে জেলার পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করলেন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। শনিবার বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সভাগৃহে ওই বৈঠক করা হয়। বিশ্বভারতী সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৬ অগস্ট উত্তরায়ণ প্রাঙ্গণে নবরূপে সজ্জিত শ্যামলী বাড়ির দ্বারোদ্ঘাটন করবেন ভারতের উপরাষ্ট্রপতি।

তাঁর সফর নিয়ে এ দিন চূড়ান্ত পর্যায়ের দু’টি বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। দু’টি বৈঠকই হয় বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সভাগৃহে। এ দিন সকাল সাড়ে ১০টায় প্রথম বৈঠক হয়। সেখানে ছিলেন জেলা প্রশাসনের কর্তারা। দ্বিতীয় বৈঠকটি হয় দুপুর সাড়ে ৩টে নাগাদ। সেখানে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের পাশাপাশি ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি, দমকল বিভাগ, তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ-সহ একাধিক দফতরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এ দিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বভারতীর কর্মসচিব সৌগত চট্টোপাধ্যায়, জনসংযোগ আধিকারিক অনির্বাণ সরকার, রবীন্দ্র ভবনের প্রাধিকারিক নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়, জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুবিমল পাল, বোলপুরের এসডিপিও অভিষেক রায়-সহ একাধিক দফতরের আধিকারিকরা। বিশ্বভারতী সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৬ অগস্ট সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতীর কুমিরডাঙার মাঠের হেলিপ্যাডে নামবেন বেঙ্কইয়া নাইডু। সেখান থেকে তিনি যাবেন উত্তরায়ণের শ্যামলী বাড়ি দ্বারোদঘাটন অনুষ্ঠানে। বিশ্বভারতী সূত্রে জানা গিয়েছে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শ্যামলী বাড়িটি সে দিন থেকে  সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে।  তার পরে বিশ্বভারতীর লিপিকা প্রেক্ষাগৃহে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন উপরাষ্ট্রপতি। সেখানে তাঁকে সংবর্ধনা জানাবেন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। শ্যামলী বাড়ি সম্পর্কে বক্তব্যও রাখবেন উপাচার্য। এর পরে বক্তব্য রাখবেন উপরাষ্ট্রপতি। ধন্যবাদ জ্ঞাপন এবং সব শেষে জাতীয় সঙ্গীতে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে। 

উপরাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনাও এ দিনের বৈঠকে করা হয়। এ বিষয়ে বিশ্বভারতীর জনসংযোগ আধিকারিক অনির্বাণ সরকার বলেন, ‘‘১৬ অগস্ট উপরাষ্ট্রপতি সফর নিয়ে কী কী করণীয় তা ঠিক করতেই বৈঠক করা হয়।’’