রেলগাড়ি নয়, আসলেতে কেক

রেলগাড়ি ঝমাঝম। আসলে রেলগাড়ি নয়। কেক। রেলমন্ত্রীর বিবাহবার্ষিকীর। ১ ডিসেম্বর বিবাহবার্ষিকী পালন করলেন রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়াল। স্ত্রী সীমার সঙ্গে কেক কাটলেন। রেলমন্ত্রী যখন, বিবাহবার্ষিকীর কেকটাও তো রেলগাড়ির মতোই হওয়া উচিত। তেমনটাই অর্ডার করা হয়েছিল। সীমা গয়ালের সঙ্গে অবশ্য রাজনীতির সম্পর্ক নেই। মুম্বইতে সামাজিক কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত তিনি।

ঝিকঝিক: বিবাহবার্ষিকীর কেক। (ইনসেটে) সস্ত্রীক পীযূষ গয়াল।

 

ট্রাম ফিরবে

কলকাতার ট্রামের মতো টিকে থাকতে পারেনি দিল্লির ট্রাম। ব্রিটিশরা ১৯০৮-এ পুরনো দিল্লির প্রাচীর ঘেরা শহরে ট্রাম চালু করেছিলেন বটে, কিন্তু স্বাধীনতার পরে চাঁদনি চক এলাকায় ভিড় বাড়তে থাকায় ষাটের দশকে ট্রাম বন্ধ হয়ে যায়। শাহজাহানের তৈরি, তাঁর কন্যা জাহানারার নকশা করা সেই চাঁদনি চক এ বার ঢেলে সাজার পরিকল্পনা নিয়েছে দিল্লির অরবিন্দ কেজরীবালের সরকার। তাতে ফের ট্রাম চালু করার ভাবনাও রয়েছে। গোটা পুরনো দিল্লি জুড়ে নয়। লাল কেল্লা থেকে ফতেহ্পুরী মসজিদ পর্যন্ত। মূলত পর্যটকদের জন্য। তবে কলকাতার মতো ট্রাম নয়। ওতে অনেক খরচ। তার বদলে হালকা, ছোট মাপের ট্রাম চালুর চেষ্টা হবে।

 

 

দূষণের ঠেলায়

দিল্লি এলে প্রশাসনিক চাপ কম থাকে। তাই মন খুলে হাঁটেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। সাউথ অ্যাভিনিউ হোক কিংবা সংসদ চত্বর— মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্রুত পদচারণার সঙ্গে পাল্লা দিতে হাঁপিয়ে ওঠেননি, এমন আমলা, সাংসদ অথবা সাংবাদিক বিরল। এই হাঁটার রুটিনে ব্যতিক্রম ঘটল এ বারেই। সম্প্রতি দিল্লি এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। একুশটি বিরোধী দলের বৈঠকে যোগ দিতে। দিল্লি এলে সাধারণত সাউথ অ্যাভিনিউতে দলের সাংসদ ও ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য বরাদ্দ বাড়িতেই থাকেন। কিন্তু রাজধানীর দূষণ এখনও বিপদসীমার উপরে। মমতা নিজেই জানালেন, ‘‘চোখ জ্বলছে। আর বাইরে হাঁটা যাবে না।’’ তা হলে? মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, ‘‘উপায় কী? এই ছোট ঘরেই হাঁটা শুরু করছি আমি। এটাই ভাল।’’

 

 

শান্তি চাই

সাত বছর আগে প্রায় ১৮৬ কোটি টাকা খরচ করে তৈরি হয়েছিল নতুন সিবিআই দফতর। ঝাঁ চকচকে লোদি রোডের ওই অফিস দেখলে— সরকারি দফতর নয়— মনে হয় কর্পোরেট অফিস। কিন্তু এ বার যে ভাবে সিবিআই দফতরে গৃহযুদ্ধ বেধেছে, শীর্ষকর্তারা নিজেদের মধ্যেই লড়াইয়ে নেমেছেন, আদালতে মামলা চলছে, তাতে নাক কাটা গিয়েছে সংস্থাটির। কেউ কেউ বলছেন, সিবিআইয়ের নতুন দফতরে বাস্তু দোষ রয়েছে। অনেকের মতে, একটা 

শান্তি-যজ্ঞ বা পুজোআচ্চা করলে দোষ কাটতে পারে। সাহস করে কথাটা বলতে পারছেন না কেউই। বলবেন কাকে? কর্তারাই তো কলহে ব্যস্ত।

 

 

ফেল তো কী?

অকপট: অরবিন্দ সুব্রহ্মণ্যম

পরীক্ষায় ফেল করার কথা কে আর স্বীকার করে? অরবিন্দ সুব্রহ্মণ্যন করেছেন। প্রাক্তন মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা তাঁর সদ্য প্রকাশিত বইতে জানিয়েছেন, আইএএস হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বসেছিলেন, উতরোতে পারেননি। সম্প্রতি রাজধানীর একটি অনুষ্ঠানে তাঁর কাছে এক সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার্থী পরামর্শ চাইলেন। হাসি মুখে সুব্রহ্মণ্যনের জবাব, ‘‘আমি তো নিজেই ফেল করেছি। তোমাকে কী বলব! তবে এটা তো আমাকে দেখে বুঝতেই পারছ, সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় ফেল করলেও জীবন শেষ হয়ে যায় না। সেটা মনে রেখো।’’ তাই বলে কি সব সরকারি আমলার পরীক্ষায় ফেল করা ছেলে সরকারের মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা হয়? শুনে জোর হাসলেন সুব্রহ্মণ্যন।