অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের অধ্যায়ে অনুপযুক্ত বিষয়বস্তু যুক্ত হওয়ায় তা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ওই বইটিকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে সংশ্লিষ্ট অধ্যায়টি সংশোধনের নির্দেশ দেন। সেই অধ্যায় সংশোধনের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। সূত্রের খবর, জুন মাসের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে এনসিইআরটি-র নতুন বই স্কুলগুলিতে পৌঁছে যাবে।
জানা গিয়েছে, আদালতের নির্দেশ মেনেই প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল কেকে ভেন্যুগোপাল, প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দু মলহোত্রা এবং প্রাক্তন বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোসের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি ওই বইয়ের অধ্যায় সংস্করণের কাজ করেছেন।
আরও পড়ুন:
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, প্রথমে ওই বইটির ২.২৫ লক্ষ কপি ছাপা হয়েছিল। কিন্তু বিক্রি হয়েছিল ৩৮টি কপি। নিষিদ্ধ হওয়ার পর ওই সব বিক্রিত কপি ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করেছিল এনসিইআরটি। এমনকি ডিজিটাল মাধ্যমেও থেকেও যাতে ওই বইয়ের প্রতিলিপি সরিয়ে ফেলা হয়, তা সুনিশ্চিত করেছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক।
উল্লেখ্য, ‘এক্সপ্লোরিং সোসাইটি: ইন্ডিয়া অ্যান্ড বিয়ন্ড’ বইটির ‘সমাজে বিচারব্যবস্থার ভূমিকা’ শীর্ষক অধ্যায়ে বিচারব্যবস্থাকে দুর্নীতিগ্রস্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। বইটি প্রকাশিত হওয়ার পরই এই বিষয়ে শীর্ষ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল এবং অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি।
এই বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা গ্রহণ করে সুপ্রিম কোর্ট। ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বইটিকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন এবং কারণ দর্শানোর নোটিস জারি করেন এনসিইআরটি এবং শিক্ষা মন্ত্রকের নামে।