স্কুল সার্ভিস কমিশনের বিভিন্ন অফিসে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন নিয়োগ করল বিকাশ ভবন। সংশ্লিষ্ট জেলার মাধ্যমিক স্তরের জেলা স্কুল পরিদর্শকদের বাড়তি এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে খবর।
সূত্রের খবর, একাদশ-দ্বাদশ স্তরে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই কাউন্সেলিং শুরু হয়। তারপরে ফের গত মার্চ থেকে দফায় দফায় কাউন্সেলিং শুরু চলছে। ধাপে ধাপে সেই তালিকা পৌঁছেছিল পর্ষদের কাছে। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়া পরে রাজ্যের সব পদ থেকে সরকার মনোনীতদের সরিয়ে দেওয়া হয়। তার ফলে পর্ষদের সভাপতি এবং স্কুল সার্ভিসের কমিশনের চেয়ারপার্সনেরাও সরে যান। বন্ধ হয়ে যায় সুপারিশপত্র বিলির কাজ।
সব আঞ্চলিক অফিসে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন নিয়োগ হলেও করুণাময়ীর প্রধান দফতরের এখনও স্থায়ী চেয়ারপার্সন বা চেয়ারম্যান নেই। সচিবই আপাতত কাজ চালাচ্ছেন। মঙ্গলবার যে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে সেখানে উল্লেখ রয়েছে, ৫টি আঞ্চলিক অফিসে মাধ্যমিক স্তরের ডিআইদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন হিসেবে নিয়োগ করা হল। দক্ষিণ শাখার কলকাতার আঞ্চলিক অফিসের ক্ষেত্রে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কলকাতার মাধ্যমিক স্তরের ডিআইকে। উত্তর শাখা মালদহের ক্ষেত্রে ওই জেলার ডিআই, পূর্ব বিভাগের ক্ষেত্রে পূর্ব বর্ধমানের ডিআই, বারাসতে দক্ষিণ পূর্ব বিভাগের ক্ষেত্রে উত্তর ২৪ পরগনার ডিআই এবং পশ্চিম বিভাগের ক্ষেত্রে বাঁকুড়ার ডিআই। এই আধিকারিকদের দিয়েই আপাতত চলবে স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রাথমিক কাজ। ইতিমধ্যে যাঁরা সুপারিশপত্র পেয়েছেন তাঁরা এখনও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় আতঙ্কিত। বহু প্রার্থীরা এখনও সুপারিশপত্র পাননি। তার উপরে সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কিছু বদল হওয়ায় সুপারিশপত্র পাওয়ার পরেও তাঁরা দ্বিধায় রয়েছেন।
আরও পড়ুন:
এই পরিস্থিতিতে কমিশনের শীর্ষ পদে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে নিয়োগ হওয়ায় সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন প্রার্থীরা।