দিল্লি গেলেন মুকুল, কৌঁসুলিদের সঙ্গে পরামর্শের সম্ভাবনা - Anandabazar
  • নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

দিল্লি গেলেন মুকুল, কৌঁসুলিদের সঙ্গে পরামর্শের সম্ভাবনা

1

Advertisement

কথা রাখলেন মুকুল রায়। আবার রাখলেনও না। সিবিআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তাদের সঙ্গে দেখা না করেই ফের দিল্লি উড়ে গেলেন তিনি। দুপুর তিনটে নাগাদ দিল্লি পৌঁছন মুকুলবাবু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার। সূত্রের খবর, দিল্লিতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে পারেন তিনি।

সিবিআইয়ের ডাক পেয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক দু’দিন আগে দিল্লিতে জানিয়েছিলেন, কলকাতায় ফিরেই যোগাযোগ করবেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে। খুব শীঘ্রই যে তিনি সিবিআইয়ের সঙ্গে দেখা করবেন তা-ও জানিয়েছিলেন মুকুলবাবু। বুধবার রাজধানী থেকে ফেরেন মুকুল। এবং কথা রেখে ওই দিন রাতের মধ্যেই যোগাযোগ করেন সিবিআইয়ের সঙ্গে। রাতেই তাঁর চিঠি নিয়ে সিবিআইয়ের সঙ্গে দেখা করেন তাঁর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার। তবে আইনজীবীর মাধ্যমে সে যোগাযোগে ‘খুব শীঘ্র’ দেখা করার কথা ছিল না। আসন্ন উপনির্বাচনের কারণ দেখিয়ে ১৫ দিনের সময় চাওয়া হয়েছিল সেই চিঠিতে। তবে ১৫ দিন নয়, সিবিআইয়ের তরফে তৃণমূলের এই নেতাকে ৭ দিন সময় দেওয়া হয়। এর মধ্যেই অবশ্য বুধবার নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রীর সঙ্গে একপ্রস্থ বৈঠক করে এসেছেন মুকুল রায়। এবং বেরিয়েছেন থমথমে মুখে।

বুধবার দিনভর এই দেখা করা-না করার নাটকের রেশ কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার সকালে দিল্লি উড়ে গেলেন মুকুলবাবু। এ দিন বেলা সওয়া ১২টা নাগাদ দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছন তিনি। কিন্তু তিনি যে সিবিআইয়ের কাছে রাজ্যের উপনির্বাচনে বিভিন্ন কাজের জন্য সময় চেয়েছিলেন? বিমানবন্দরে উপস্থিত সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তর কিন্তু এড়িয়েই গেলেন তৃণমূলের এই নেতা। তিনি বলেন, “দেশের অনেক রাজ্যেই উপনির্বাচন আছে। আমি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। দলের কাজে আমাকে দিল্লি যেতে হচ্ছে। সেখানে দলীয় অফিসেই আপাতত বসব।”

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন