রাসবিহারী কেন্দ্র থেকে এ বারও তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন দেবাশিস কুমার। কলকাতা পুরসভার মেয়র পরিষদও তিনি। এলাকায় দেবা নামে পরিচিত। বয়স ৬৬ বছর। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও ওই কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। জয়ীও হন। আবারও তাঁকে টিকিট দিয়েছে তৃণমূল। গত ৬ এপ্রিল নিজের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দেবাশিস। কত সম্পত্তি রয়েছে তৃণমূল প্রার্থীর? হলফনামায় আর কী কী জানিয়েছেন তিনি?
টাকাকড়ি
নির্বাচনী হলফনামায় দেবাশিস জানিয়েছেন, তাঁর হাতে এখন নগদ রয়েছে ২২ হাজার ৬০০ টাকা। স্ত্রী দেবযানী কুমারের কাছে রয়েছে নগদ ১৬ হাজার ৫০০ টাকা। স্বামী-স্ত্রীর একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অর্থ গচ্ছিত রয়েছে। সব মিলিয়ে তৃণমূল প্রার্থীর অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে ৩ কোটি ৪৯ লক্ষ ৫০ হাজার ৫২১ টাকার। স্ত্রীর রয়েছে ১ কোটি ৮ লক্ষ ৩ হাজার ৩৮৭ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি।
আরও পড়ুন:
জমিজমা, বাড়ি
দেবাশিস এবং তাঁর স্ত্রীর নামে কোনও কৃষিজমি নেই। তাঁরা মূলত ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাঁদের অকৃষিজমিও নেই। তৃণমূল প্রার্থী এবং তাঁর স্ত্রীর রবীন্দ্রসরোবর এলাকার মনোহরপুকুর রোডে চারটি বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়িগুলির বর্তমান বাজারমূল্য ৩ কোটি ৩৫ লক্ষ ৬৫ হাজার। স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে সস্ত্রীক তৃণমূল প্রার্থীর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৮ কোটি টাকা।
গাড়ি নেই, ট্রাক আছে
হলফনামায় দেবাশিস জানিয়েছেন, তাঁর নামে কোনও গাড়ি নেই। দু'টি ট্রাক রয়েছে। ২০০৬ সালে ওই ট্রাক দু’টি কিনেছিলেন তিনি। বর্তমানে তার বাজারমূল্য ২০ লক্ষ টাকা। তৃণমূল প্রার্থীর স্ত্রীর নামে দু’টি গাড়ি রয়েছে।
শিক্ষা
রাজনীতির পাশাপাশি পড়াশোনাও চালিয়ে নিয়ে গিয়েছেন রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী। ২০২১ সালে ম্যাটস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্য বিভাগে এমকম ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। ১৯৭৮ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেন নিউ আলিপুর কলেজ থেকে।
অপরাধের রেকর্ড
দেবাশিস মামলাহীন। হলফনামায় তিনি জানিয়েছেন, তাঁর নামে কোনও মামলা নেই।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত