• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

প্রচারে গিয়ে বাসিন্দাদের ক্ষোভের মুখে তৃণমূল প্রার্থী

Biplob Roy Chowdhury
উত্তর জিয়াদা গ্রামে বাড়ি বাড়ি প্রচারে বিপ্লব রায়চৌধুরী। — নিজস্ব চিত্র।

নিজের বিধানসভা এলাকায় বাড়ি বাড়ি ভোট প্রচারে গিয়েছেন শাসক দলের বিধায়ক। দলীয় কর্মীদের নিয়ে গৃহস্থের বাড়িতে গিয়ে কুশল বিনিময় করে ভোট দেওয়ার আবেদন করছেন। কিন্তু তিনবারের প্রবীণ বিধায়ক তথা এলাকার তৃণমূল প্রার্থীর কাছে পাল্টা ক্ষোভ ফিরিয়ে দিলেন এলাকার বাসিন্দারা। ধবার পূর্ব পাঁশকুড়া বিধানসভা (কোলাঘাট ব্লক) এলাকার উত্তর জিয়াদা গ্রামে তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব রায়চৌধুরীর ভোট প্রচারে গিয়ে দেখা গেল এমন দৃশ্য। গ্রামের গৃহবধূ থেকে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের দাবি গ্রামের মোরাম রাস্তা পাকা করতে হবে। এলাকার বর্ষার জল নিকাশির ব্যবস্থা ভাল করতে হবে।

 হাওড়া থেকে মুম্বইগামী ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারেই উত্তর জিয়াদা গ্রাম। ওই জাতীয় সড়ক থেকে গ্রামের ভিতরে যাওয়ার প্রায় আড়াই কিলোমিটার রাস্তার অধিকাংশ এখনও মোরামের। ওই গ্রামের অধিকাংশ বাসিন্দা ধান, ফুলের চাষ করেন। প্রতিদিন স্থানীয় সিদ্ধা ,বরদাবাড় ও দেউলিয়া বাজারে যাতায়াত করতে হয় ওই রাস্তা দিয়েই। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকার একমাত্র রাস্তাটির উন্নতি না হওয়ায় তাঁদের চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।

 গ্রামের বাসিন্দা পুষ্প সামন্ত, গৃহবধূ পিঙ্কি সামন্তরা বলেন, ‘‘প্রতি বছর বর্ষাকালে টোপা নিকাশি খাল দিয়ে পাঁশকুড়া এলাকা থেকে জল এসে এই এলাকায় জমে যায়। ফলে বর্ষাকালে এখানে জলে রাস্তা ডুবে যায়। স্কুলে যেতে অসুবিধা হয়। প্রতিবার ভোট এলে রাস্তা পাকা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয় না।’’

 সিদ্ধা-১ গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার মধ্যে থাকা উত্তর জিয়াদা গ্রামের বাসিন্দাদের সমস্যার কথা স্বীকার করে বিপ্লববাবু বলেন, ‘‘একটি বড় রাস্তার প্রয়োজন রয়েছে। গ্রামের রাস্তার কিছু অংশ পাকা হয়েছে। রাস্তাটি আরও চওড়া করে জাতীয় সড়কের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য আমরা উদ্যোগী হব।’’

 বিপ্লববাবু এদিন যখন বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করছেন সে সময় সাগরবাড় এলাকায় সিপিএম ও কংগ্রেস নেতা-কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে গ্রামের রাস্তায় মিছিল করে প্রচার করছিলেন পূর্ব পাঁশকুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের জোট প্রার্থী সিপিএমের ইব্রাহিম আলি। মিছিলে ইব্রাহিমের সাথে ছিলেন ডিওয়াইএফ’এর কোলাঘাট জোনাল সম্পাদক সিদ্ধার্থ রাউত, সাগরবাড় গ্রাম পঞ্চায়েতের কংগ্রেস প্রধান সুরজিত মাইতি, কোলাঘাট ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির কংগ্রেস সদস্য জ্যোতির্ময় বর্মণ, নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ক তথা কংগ্রেস নেতা দীপক পাত্র প্রমুখ। ইব্রাহিম  বলেন, ‘‘বিধায়ক বিপ্লববাবু এর আগে তিনবার নির্বাচিত হয়েছেন। এলাকার বাসিন্দাদের নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু কোলাঘাটের উন্নয়নের কাজে তিনি কোন ছাপ রাখতে পারেনি। মানুষ ভোটেই জবাব দেবেন।’’

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন