‘পিদ্দী’ ছবি নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। অভিযোগ, এই ছবিতে জাহ্নবী কপূরকে শুধুই যৌনতার মোড়কে তুলে ধরা হয়েছে। চরিত্রের কোনও গুরুত্ব নেই। ছবিতে তিনি শুধুই দেহসর্বস্ব। বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই। মুখ খুলেছেন কঙ্গনা রনৌতও।
ছবিতে নারীদের পণ্যের মতো করে দেখানো নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। তবে এই সমস্যা শুধু ছবির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তাঁর মতে, বাস্তব জীবনেও নারীরা প্রতিদিন এই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন। তবে একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেছেন যে, হিন্দি ছবিতেও বহু সময়ে নারীদের পণ্যের মতো করে দেখানো হয়েছে।
এক কথোপকথনে কঙ্গনাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, শক্তিশালী নারী চরিত্রের দাবি বাড়ছে দিন দিন। কিন্তু এখনও কেন মূলধারার ছবিতে অতিরিক্ত যৌনতায় তুলে ধরা হয় মহিলা চরিত্রদের? জবাবে কঙ্গনা বলেন, “নারীদের শুধু ছবিতে পণ্যের মতো করে তুলে ধরা হয়, এমনটা বলা ঠিক নয়। আপনি যদি লোকাল ট্রেনে যান, সেখানে ধাক্কাধাক্কি, অসভ্য আচরণ দেখতে পাবেন। বাসেও এমন হয়। রাস্তাঘাটেও হয়। তাই এটা শুধু ছবির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।”
কঙ্গনা আরও বলেন, “‘সেক্সি-সেক্সি মুঝে লোগ বোলে’ বা ‘সরকাইলো খাটিয়া’র মতো আইটেম গানগুলোর কথা ধরুন। অনেক সময়ে আকর্ষণ ও অশ্লীলতার মধ্যে যে সীমারেখা রয়েছে, তা-ও ঝাপসা হয়ে যায়। কখনও ইচ্ছাকৃত ভাবে, কখনও অনিচ্ছাকৃত ভাবে। বিনোদন জগতের প্রকৃতিই অনেকটা এমন।”
তবে কঙ্গনা মনে করেন, ছবিতে নারী উপস্থাপন নিয়ে আলোচনা করতে গেলে বিষয়টিকে সূক্ষ্মভাবে দেখা দরকার। তাঁর মতে, এখন সমাজমাধ্যমে দ্রুত ক্ষোভপ্রকাশের প্রবণতা বেড়েছে। সেখানে অনেক সময়ে মানুষ পুরো গল্প বা প্রেক্ষাপট না বুঝেই কোনও একটি দৃশ্য দেখে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দেন। পরোক্ষ ভাবে নারীদের পণ্যের মতো করে তুলে ধরা নিয়ে কথা বলেছেন ঠিকই। কিন্তু সরাসরি ‘পিদ্দী’র সমালোচনা করেননি কঙ্গনা।