Advertisement
E-Paper

‘ওর দেহে তখনও প্রাণ ছিল’, পোষ্যের নির্মম পরিণতি! কান্নায় ভেঙে পড়ে মঞ্জরী জানালেন ঠিক কী ঘটেছিল

মঞ্জরী জানান, তিনি যে আবাসনে থাকেন, সেখানেই মাইকি নামের সারমেয়টি থাকত। সারমেয়টিকে আগে একটি পরিবার দত্তক নিয়েছিল। কিন্তু তারা নাকি ওই আবাসনে মাইকিকে ছেড়ে চলে যায়। তার পর থেকে আবাসনের বাসিন্দারাই দেখভাল করে মাইকির।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬ ১৩:০১
কান্নায় ভেঙে পড়লেন মঞ্জরী!

কান্নায় ভেঙে পড়লেন মঞ্জরী! ছবি: সংগৃহীত।

প্রিয় পোষ্যকে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছে। ক্যামেরার সামনে এসে অভিযোগ জানালেন অভিনেত্রী মঞ্জরী ফডণীস। কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন তিনি। ঘটনা শুনে শিউরে উঠছেন মঞ্জরীর অনুরাগীরাও।

মঞ্জরী জানান, তিনি যে আবাসনে থাকেন, সেখানেই মাইকি নামের সারমেয়টি থাকত। সারমেয়টিকে আগে একটি পরিবার দত্তক নিয়েছিল। কিন্তু তারা এই আবাসনে মাইকিকে ছেড়ে চলে যায়। তার পর থেকে আবাসনের বাসিন্দারাই দেখভাল করে মাইকির। কিন্তু কয়েক দিন ধরে নিখোঁজ ছিল সে। সেই সারমেয়র পরিণতি পরে এক প্রতিবেশীর থেকে জানতে পারেন মঞ্জরী। তিনি ভিডিয়োবার্তায় বলেন, “আমি কখনও ভাবিনি এমন একটা বিষয় নিয়ে ভিডিয়ো করতে হবে। কিন্তু বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”

সেই আবাসনের এক বাসিন্দা এসে মঞ্জরীকে জানান, আসলে কী ঘটেছে। অভিনেত্রী ভিডিয়োয় জানান, মাইকি নাকি শান্ত ভাবে ঘুমোচ্ছিল। তখন তাকে লাঠি বা লোহার রড জাতীয় কিছু দিয়ে মারা হয়। এখানেই শেষ নয়। সিঁড়ি দিয়ে নাকি তাকে টানতে টানতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ফের লাঠি দিয়ে মারা হয়। ঘটনার বিবরণ দিতে দিতে কান্না ধরে রাখতে পারেননি মঞ্জরী। কোনও রকমে নিজেকে সামলে নৃশংসতার বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, “ওকে এত মারা হয়েছে যে ওর মুখ দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছিল। ও ভয়ে প্রস্রাব করে ফেলেছিল বলে ওকে আরও মারধর করা হয়।” এর পরে কুকুরটিকে মৃতপ্রায় অবস্থায় ব্যাগে ভরে ফেলে আসা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন অভিনেত্রী। কাঁদতে কাঁদতে মঞ্জরী বলেন, “আমরা জানি না মাইকি এখনও বেঁচে আছে কি না। ওকে যখন ফেলে আসা হয়, ওর দেহে তখনও প্রাণ ছিল। ওর দেহটা খোঁজার চেষ্টা করছি আমরা।”

প্রিয় পোষ্যের বিচার চেয়ে মঞ্জরী বলেছেন, “আমাদের মাইকিকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে। ওর জন্য আমরা লড়াই করছি। কোনও আবাসনেই কোনও কুকুরের সঙ্গে যেন এমন না হয়। পশুদের গায়ে হাত তোলার আগে যেন মানুষের ভয় হয়। পশুদের উপর নৃশংসতার বিরুদ্ধে কড়া আইন দরকার।” কিন্তু, কাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ? তা এখনও স্পষ্ট নয়।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy