Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৯ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে ছবি দেখার সময় এখনও আসেনি: কর্ণ সিংহ গ্রোভার

সদ্য মুক্তি পেয়েছে তাঁর ওয়েব সিরিজ়।

শ্রাবন্তী চক্রবর্তী
মুম্বই ০১ এপ্রিল ২০২১ ০৬:৩১
Save
Something isn't right! Please refresh.
কর্ণ

কর্ণ

Popup Close

প্র: গত বছর আনলক শুরু হওয়ার সময়ে আপনি ‘কসৌটি জিন্দেগি কে’র কাজ ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সার্বিয়ায় গিয়ে ‘কবুল হ্যায় টু পয়েন্ট ও’র শুট করলেন। কেন?

উ: গত বছর যখন আনলক হয়, তখন অনেক কিছুই অনিশ্চিত ছিল। তাই সেই সময়ে আমি ঝুঁকি নিতে চাইনি। তা ছাড়া নিজের পাশাপাশি আমি বিপাশাকেও (বসু) বিপদে ফেলতে চাইনি। বেলগ্রেডে (সার্বিয়ার রাজধানী) যখন গিয়েছিলাম, তখন একাই গিয়েছিলাম।

প্র: কিন্তু সেখানে গিয়ে শুট করার সময়ে তো আপনি কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন...

Advertisement

উ: হ্যাঁ। শুটিংয়ের শেষের দিকে আক্রান্ত হয়েছিলাম। তখন পুরো ইউনিট চলে গিয়েছিল। পুরো সময়টাই একা থাকতে হয়েছিল আমাকে। তা ছাড়া বিপাশার জন্যও ওই সময়টা খুব কঠিন ছিল। নিজের উপরে ভীষণ রাগ হত সেই সময়ে। তবে কিছু করার ছিল না, অসহায় বোধ করতাম। প্রথম প্রথম খুব হালকা ভাবে নিয়েছিলাম পুরো বিষয়টাকে। সব জায়গায় বলে বেড়াতাম, ‘আমিই তো অ্যান্টি-ভাইরাস, আমার কিছু হবে না’। নিজে ভুক্তভোগী হওয়ার পরে ব্যাপারটার গুরুত্ব বুঝলাম। তখন আফসোস হত।

প্র: তার পরেও আপনাকে আর বিপাশাকে একাধিক বার হাসপাতালে যেতে দেখা গিয়েছে।

উ: হ্যাঁ... অল্পবিস্তর শরীর খারাপ তো লেগেই থাকে। সে তো সকলেরই হয়। আর বিপাশা এই শরীর খারাপের ব্যাপারে একটু সাবধানী। তাই মাঝে মধ্যে চেকআপ করাতে যাই। আমাদের ঘন ঘন হাসপাতালে যেতে দেখে অনেকেই যেটা ভাবছেন, তেমন কিছু হলে আমরা নিজেরাই জানাব সকলকে।

প্র: কেরিয়ারের প্রথম থেকে এখনও পর্যন্ত আপনার মহিলা অনুরাগীদের সংখ্যায় তেমন ভাটা পড়েনি। এই নিয়ে বিপাশার কী বক্তব্য?

উ: তেমন কোনও বক্তব্য নেই। কারণ, বিপাশার কাছে আমি হলাম ‘ঘর কী মুরগি ডাল বরাবর’ (হাসি)! আমাকে বাড়িতে হাফ প্যান্ট আর গেঞ্জিতে দেখতে দেখতেই ও অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে। শুধু ক্যামেরার সামনে গেলে চুলটা সেট করে পরিপাটি হয়ে যাই এখন।

প্র: ‘কবুল হ্যায় টু পয়েন্ট ও’র পরে এই মুহূর্তে আর কী কী প্রজেক্ট রয়েছে আপনার হাতে?

উ: ছবির প্রস্তাব এই মুহূর্তে নেই তেমন। আমার একটি ছবি ‘ডেঞ্জারাস’ তৈরি হয়ে পড়ে রয়েছে। প্রথমে সিনেমা হলে মুক্তির জন্য তৈরি ছিল সেটি। এই পরিস্থিতিতে মুভি থিয়েটারের দর্শক সমাগম নিয়ে কেউই তেমন নিশ্চিত হতে পারছেন না। তাই এখন ছবিটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তির পরিকল্পনা করা হয়েছে। অতিমারির সময়ে ওয়েব স্পেস দর্শকের নিয়মিত ভাবে মনোরঞ্জন করে চলেছে। পরবর্তী কালেও তাই করবে।

প্র: আপনি নিজে সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখতে কতটা স্বচ্ছন্দ?

উ: শুটিং না থাকলে এখন আমি বাড়ি থেকে বার হই না। শনি, রবি আর মঙ্গলবার বাড়ি থেকে বেরোই শুধু, তা-ও নানা দরকারে। শনিবার আর মঙ্গলবার হনুমান মন্দিরে যাই পুজো দিতে। আর রবিবার মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যাই।

প্র: কোন ছবি শেষ বার হলে গিয়ে দেখেছিলেন, মনে আছে?

উ: হৃতিক রোশন-টাইগার শ্রফের ‘ওয়র’ দেখেছিলাম, শেষ বার হলে গিয়ে। তার পরে এক বছরেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত। এই মুহূর্তে মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি যা, তাতে আমার মনে হয় প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে ছবি দেখার সময় এখনও আসেনি।


আমার মহিলা ফ্যানদের নিয়ে বিপাশার কোনও বক্তব্য নেই। বিপাশার কাছে আমি হলাম ‘ঘর কী মুরগি ডাল বরাবর’

- কর্ণ সিংহ গ্রোভার




Something isn't right! Please refresh.

Advertisement